স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: মাস্ক এখন নতুন পোশাক, গত বুধবারই নবান্নে মজা করে এই মন্তব্য করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এক সপ্তাহ পর মুখ্যমন্ত্রীকেই সেই ‘নতুন পোশাক’ এই এখন দেখা যাচ্ছে। যদিও আগেও মাস্ক পড়ে বহুবার দেখা গিয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।

এমনকি, রাস্তায় মানুষকে কখনও মাস্ক তুলে দিতে দেখা গিয়েছে তো আবার কেন মাস্ক পড়বেন সেই বিষয়ে সচেতনাতে করতে দেখা গিয়েছে। কিন্তু হঠাত করেই বুধবার পশ্চিমবঙ্গের ম্যাপ আঁকা মাস্ক পরে নবান্নে ঢোকেন তিনি। শুধু ঢোকা নয়, দেখা গিয়েছে ওই মাস্ক পড়ে সাংবাদিক বৈঠক করতেও। কিন্তু খুব একটা সাধারণের নজরে আসেনি।

কিন্তু শুক্রবার পরিবেশ দিবসে মুখ্যমন্ত্রীকে একটি মাস্কে দেখা যায়। যেখানে স্পষ্ট হয় মাস্কের গায়ে পশ্চিমবঙ্গের ম্যাপ। আর তাতে লেখা মা। একদিকে সচেতনতা অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গকে ফের একবার তুলে ধরার চেষ্টা। যা নেটিজেনদের কাছে বেশ জনপ্রিয় হয়েছে। করোনা ভাইরাসকে সঙ্গে নিয়েই আমাদের বাঁচতে হবে, কেন্দ্র-রাজ্য দুপক্ষই সেটা স্পষ্ট করে দিয়েছে। ফলে আগামী দিনে কয়েকদিন মাস্ক এবং হ্যান্ড স্যানিটাইজারই আমাদের ভরসা। ইতিমধ্যেই নানান ধরণের মাস্ক-এ বাজার ছেয়ে গিয়েছে।

পরনের পোশাকের সঙ্গে মানানসই রঙের মাস্ক যেমন অনেকেই ব্যবহার করছেন তেমন মোদী-মমতার মুখের ছবি, রাজনৈতিক দলের প্রতীক দেওয়া মাস্ক ও দেখা যাচ্ছে বাংলায়। প্রথম থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় খুবই সাদামাটা মাস্ক ব্যবহার করছেন। মাস্ক হিসেবে কখনও মুখে রুমাল বাঁধেন, কখনও সবুজ রঙের সার্জিক্যাল মাস্ক ব্যবহার করেন তিনি।এদিনও সবুজ রঙের একটি সার্জিক্যাল মাস্ক পড়েছিলেন তিনি।

কিন্তু নজর কেড়েছে, তাঁর মাস্কের উপর পশ্চিমবঙ্গের ম্যাপের ছবিটা। গত বুধবার নবান্নের সাংবাদিক বৈঠকে মাস্কের উপযোগিতা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘মাস্ক এখন আর একটা পোশাক।

বলতে পারেন, দিন-প্রতিদিনের অঙ্গ হয়ে গিয়েছে।’ মাস্কের ব্যবহারবিধি নিয়েও ওইদিন একগুচ্ছ পরামর্শ দেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, একই মাস্ক বেশিক্ষণ ব্যবহার করা যায় না। তিনি বলেন, ‘শুধু পরে থাকলেই চলবে না। ছ’ঘণ্টার বেশি ব্যবহার করা চলবে না। বদলাতে হবে। কটন মাস্কের অবশ্য একটা সুবিধে। নিয়মিত কাচা যায়।’

কলকাতার 'গলি বয়'-এর বিশ্ব জয়ের গল্প