বর্ধমান: একটানা লকডাউনেও সংক্রমণে লাগাম পরানো যায়নি। আনলক ২ পর্যায়েও লাগামছাড়া সংক্রমণ দেশেজুড়ে। বাংলাতেও করোনার সংক্রমণ ক্রমেই উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। মারণ ভাইরাসের হাত থেকে বাঁচতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে বলার পাশাপাশি মাস্ক ও স্যানিটাইজার ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

করোনা প্রতিরোধে এবার মিড ডে মিলের সঙ্গেই মাস্ক ও স্যানিটাইজার বিলির সিদ্ধান্ত নিয়েছে পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসন। এবার থেকে স্কুল পড়ুয়াদের মিড-ডে মিলের সঙ্গে দেওয়া হবে মাস্ক ও স্যানিটাইজার।

করোনা প্রতিরোধে অভূতপূর্ভ সিদ্ধান্ত পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসনের। মারণ ভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে এবার মিড ডে মিলের সঙ্গে পড়ুয়াদের মাস্ক ও স্যানিটাইজার বিলির সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা প্রশাসন।

প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রাক প্রাথমিক থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত ছাত্রছাত্রীদের স্যানিটাইজার দেওয়া হবে। প্রতি মাসে এককালীন মিড-ডে মিলের রেশন দেওয়ার সময় অভিভাবকদের হাতে স্যানিটাইজারের বোতল তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

পূর্ব বর্ধমান জেলার সরকারি ও সরকার পোষিত স্কুলগুলির উচ্চমাধ্যমিকস্তর পর্যন্ত পড়ুয়াদের দু’টি করে মাস্ক দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা প্রশাসন। স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের তৈরি মাস্ক তুলে দেওয়া হবে স্কুল পড়ুয়াদের হাতে।

করোনার সংক্রমণ এড়াতে বারবার হাত ধোওয়া, সামাজিক দূরত্ব মেনে চলা, মুখে মাস্ক পরা, স্যানিটাইজার ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। এই পরিস্থিতিতে মাস্ক পরা এখন প্রত্যেকের জীবনে একটি অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। সংক্রমণ এড়ানোর এছাড়া আরও কোনও পথ নেই বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

বিশেষজ্ঞদের এই পরামর্শ মাথায় রেখেই এবার এই অভূতপূর্ব সিদ্ধান্ত নিয়েছে পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসন। দেশের অন্য রাজ্যগুলির পাশাপাশি নোভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে চলেছে এরাজ্যেও।

প্রতিদিন শহর কলকাতার পাশাপাশি জেলাগুলিতেও নতুন করে আক্রান্তের হদিশ মিলছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুয়ায়ী বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গে নোভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ১৯ হাজার ১৭০। বাংলায় করোনায় মৃত বেড়ে ৬৮৩। এখনও পর্যন্ত ১২ হাজার ৫২৮ জন করোনামুক্ত হয়েছেন। ৃ

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ