উলান-উদে (রাশিয়া): রাশিয়ার মাটিতে বিশ্বচ্যাম্পিয়নশিপের মঞ্চে সপ্তম সোনা জয় অধরা রইল মেরি কমের। শনিবার তুরস্কের বুসেনাজ চাকিরোগলুর কাছে হেরে ঐতিহাসিক ব্রোঞ্জ জয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হল মণিপুরী বক্সারকে। ৫১ কেজি ক্যাটেগরির শেষ চারের লড়াইয়ে এদিন মেরি হারলেন ১-৪ ব্যবধানে।

গত বৃহস্পতিবার রাশিয়ার উলান-উদে’তে সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করার সঙ্গে সঙ্গে ইতিহাসে নাম লিখিয়েছিলেন ভারতের এই মহিলা বক্সার। কোয়ার্টার ফাইনালে কলম্বিয়ার ইনগ্রিত ভ্যালেন্সিয়াকে হারিয়ে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের মঞ্চে অষ্টম পদক জয় তো নিশ্চিত করেনই, সেইসঙ্গে কিউবার পুরুষ বক্সার ফেলিক্স স্যাভনকে পিছনে ফেলে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের সবচেয়ে সফল বক্সার হিসেবে নিজেকে তুলে ধরেন এমসি মেরি কম। এর আগে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের মঞ্চে ৬টি সোনা ও ১টি রুপো জিতে স্যাভনের সঙ্গে পদক জয়ের নিরিখে একাসনে ছিলেন লন্ডন অলিম্পিকের ব্রোঞ্জজয়ী।

চলতি বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের আসরে যদিও ক্যাটেগরি বদলে (৫১ কেজি) রিংয়ে নামেন মেরি। আসন্ন টোকিও অলিম্পিকে ৫১ কেজি বিভাগেই দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করবেন ছ’বারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন। টুর্নামেন্টের শুরু থেকে দারুণ ছন্দে থাকলেও শেষ চারের লড়াইয়ে এদিন দ্বিতীয় বাছাই তুরস্কের প্রতিদ্বন্দ্বীর কাছে পিছিয়ে পড়লেন মণিপুরী বক্সার। চাকিরোগলুর নিখুঁত পাঞ্চের সামনে এদিন রিংয়ে বেশ অসহায় দেখায় মেরিকে। যদিও ফলাফলে সন্তুষ্ট না হওয়ায় বাউট শেষে ভারতের পক্ষ থেকে বিচারকের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে আবেদন জানানো হয়। তবে তাতে ফলাফলের বিশেষ কিছুই পরিবর্তন হয়নি। ব্রোঞ্জ জিতেই সন্তুষ্ট থাকতে হয় এমসি’কে।

৭ নম্বর সোনা জয়ের লক্ষ্যে ভারতীয় বক্সার টুর্নামেন্টের শুরুটা করেন দুর্দান্তভাবে। তৃতীয় বাছাই মেরী কম প্রথম রাউন্ডে বাই পেলেও ৫১ কেজি বিভাগের প্রি-কোয়ার্টারে তিনি ৫-০ ব্যবধানে পরাজিত করেন থাইল্যান্ডের জুটামাস জিটপংকে। এরপর বৃহস্পতিবার কলম্বিয়ান প্রতিদ্বন্দ্বীকে ৫-০ ব্যবধানে পরাজিত করার সঙ্গে সঙ্গে শেষ চারের বৃত্তে ঢুকে পড়েন ‘ম্যাগনিফিসেন্ট মেরি’। তবে মেরি হারলেও বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের মঞ্চে ৪৮ কেজি ও ৫৪ কেজি বিভাগের সেমি ফাইনালে দেশের ক্রীড়া অনুরাগীদের চোখ এখন যথাক্রমে মঞ্জু রানি ও যমুনা বোরোর দিকে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ