নয়াদিল্লি: প্রথমবার মহিলা অ্যাথলিটদের পদ্ম পুরস্কারের জন্য মনোনীত করল ভারতীয় ক্রীড়ামন্ত্রক৷ ছ’বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন এমসি মেরি কমকে পদ্ম বিভূষণ এবং রিও অলিম্পিকে রুপো জয়ী শার্টলার পিভি সিন্ধুকে পদ্মভূষণ পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়েছে৷

বিশ্ব বক্সিং চ্যাম্পিয়ন হিসেবে ইতিহাস গড়েছেন ভারতের মেরি কম৷ তিনিই একমাত্র মহিলা যিনি, ওয়ার্ল্ড অ্যামেচার বক্সিং চ্যাম্পিয়নশিপে ছ’বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন মণিপুরে ৩৬ বছরের এই বক্সার৷ শুধু তাই নয়, বিশ্বেক একমাত্র মহিলা হিসেবে সাতবার বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে পদক জিতেছেন মেরি কম৷ মণিপুরের এই মহিলা বক্সারকে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অসামরিক পুরস্কার দিতে চলেছে ভারত সরকার৷

চতুর্থ ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব হিসেবে পদ্ম বিভূষণ পুরস্কার পেতে চলেছেন মেরি কম৷ অর্থাৎ চেস কিংবদন্তি বিশ্বনাথন আনন্দ (২০০৭), ক্রিকেট কিংবদন্তি সচিন তেন্ডুলকর (২০০৮) এবং মাউন্টেনার স্যর এডমন্ড হিলারির (২০০৮) পর এই সম্মান পাচ্ছেন মুণিপুরী কন্যা৷ এর আগে ২০০৬-এ পদ্মশ্রী এবং ২০১৩ সালে পদ্ম ভূষণ পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছেন মেরি কম৷

মেরি কম ছাড়াও সদ্য বিশ্বচ্যাম্পিনয় ব্যাডমন্টিন তারকা সিন্ধুকেও দেশের তৃতীয় সর্বোচ্চ অসামরিক পুরস্কারে পদ্মভূষণে সম্মানিত করতে চলেছে সরকার৷ অগস্টে বিডব্লিউএফ ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপে চ্যাম্পিয়ন হয় বছর চব্বিশের হায়দরাবাদি৷ চার বছর আগে পদ্মশ্রী পুরস্কার পেয়ছেন সিন্ধু৷ দেশের একমাত্র ব্যাডমিন্টন তারকা হিসেবে অলিম্পিকে রুপো জেতেন হায়দরাবাদি৷ ২০১৬ রিও অলিম্পিকে স্প্যানিশ প্রতিদ্বন্দ্বী ক্যারোলিনা মারিনের হেরে সোনা হাতছাড়া হয়েছিল সিন্ধুর৷

এছাড়াও মহিলা কুস্তিগীর ভিনেস ফোগত, টেবল টেনিস তারকা মনিকা বাত্রা, ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দলের টি-২০ অধিনায়ক হরমনপ্রীত কউর, ভারতীয় মহিলা হকি দলের ক্যাপ্টেন রানি রামপাল এবং প্রাক্তন শুটার সুমা শিরুর এবং দুই যমজ মাউন্টেনার বোন তাশি ও নুনংশি মালিক পদ্মশ্রী পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন৷ মনোনয়নের এই তালিকা পাঠানো হয়েছে পদ্ম পুরস্কার কমিটির কাছে৷ আগামী বছর প্রজাতন্ত্র দিবসে দেওয়া হবে এই পুরস্কার৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.