নয়াদিল্লি: ভারত চিন সীমান্তে উত্তেজনা ক্রমশই বাড়ছে। আর এই অবস্থায় চিনকে চাপে ফেলতে এদেশে চিনা পণ্য বয়কট করার ডাক দিয়েছে বিভিন্ন মহল। কিন্তু সে পথে হাঁটতে রাজি নয় বাজাজ, মারুত সুজুকির মতো সংস্থাগুলি। কারণ ‌ তাদের পণ্য উৎপাদন করতে কাঁচামাল হিসেবে চিনা পণ্য দরকার হয়। একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে এমনই প্রতিবেদন বের হয়েছে হয়েছে।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মারুতি সুজুকি চাইছে না চিন থেকে আমদানি করা পণ্যের উপর শুল্কের বোঝা চাপুক বরং তা করলে বাধা দিতে চায়। তাদের যুক্তি, চিন থেকে আমদানি করা ওইসব পণ্য অত্যাবশ্যকীয় তাদের গাড়ি উৎপাদনের জন্য এবং ভেন্ডার সংস্থাগুলির উৎপাদক সংস্থার চেয়ে তা বেশি করে দরকার।

গাড়ি উৎপাদনকারী সংস্কার বক্তব্য, এমন উদ্যোগ নিলে ভারতীয় উপভোক্তাদের উপর প্রভাব পড়বে। তাছাড়া প্রধানমন্ত্রী ভারতের সহজে ব্যবসার পরিবেশ উন্নতি হয়েছে বলে দাবি করলেও প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ এখনও ঠিক মতো আসছে না। গত ৭০ বছরে বড় বিদেশি উৎপাদনকারী সংস্থাকে আকৃষ্ট করতে পারেনি বলে সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

একই সুরে কথা বলতে দেখা গিয়েছে দু চাকার যান উৎপাদনকারী বাজাজকেও। তারাও উদ্বিগ্ন হয়ে জানিয়েছে, ওই সব পণ্য আমদানি শক্তিশালী করে তাদের সাপ্লাই চেইনকে। তাদের কোম্পানির মোটরসাইকেলে ব্যবহৃত অ্যালয় হুইল চিন থেকে আমদানি করা হয় কারণ তা প্রতিযোগিতার বাজারে খুব সস্তা।

ভারত-চিন সীমান্তে উত্তেজনা দেখা দিলে আমদানি শুল্ক বাড়ানোর সিদ্ধান্তের ব্যাপারে জানাজানি হয়। এর প্রভাব পড়বে অটোমোবাইল শিল্পে বিশেষত বৈদ্যুতিন গাড়ির ক্ষেত্রে। যেখানে ভারত এখন গোটা দেশকে বৈদ্যুতিন গাড়ির দিকে ঠেলে দিতে চাইছে সেখানে এই ধরনের পদক্ষেপ বাধা সৃষ্টি করবে। দেখা যায় এই ধরনের গাড়ির দামের ৫০ শতাংশই হলো ব্যাটারি। আর গোটা বিশ্বে পাঁচটার মধ্যে দুটি প্রধান ব্যাটারি উৎপাদনকারী সংস্থাই হল চিনের। আর বাকি তিনটির ব্যাটারি উৎপাদনের অনেকটাই হয় চিনে‌ বা তার সমগোত্রীয় কোথাও।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।