নয়াদিল্লি: ইদানিং অনলাইনে রামি খেলার বাজার বিস্তার হচ্ছে ৷ দেশে জুয়া খেলা নিষিদ্ধ হলেও অনলাইনে রামি বা পোকারকে জুয়া খেলার আওতায় ফেলা হচ্ছে না৷ যেহেতু শীর্ষ আদালত অনলাইনে এই তাসের খেলাকে সম্ভাবনা বা চ্যান্স নির্ভর না ধরে বরং ব্যক্তিগত দক্ষতা নির্ভর খেলা বলে দেখছে ৷

তবে এই বিষয়ে রাজ্য সরকারের হাতে কিছু ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে ৷ যার ফলে অবশ্য অন্ধ্র প্রদেশ সরকার রামি বা পোকার-এর মতো অনলাইন গেমসকে ‘জুয়া’ বলেই গণ্য করছে ৷ কিন্তু অন্য রাজ্যে এমন কোন পদক্ষেপ না করায় সেখানে এই খেলার বাড়বাড়ন্ত দেখা গিয়েছে ৷ এমনকি অনলাইন ব্যাংঙ্কিং এবং পেটিএম-পেপ্যাল-এর মতো ভার্চুয়াল ওয়ালেট ব্যবহার করে চুটিয়ে অনলাইনে রামি খেলা হচ্ছে ৷

সাম্প্রতিক সমীক্ষা জানাচ্ছে, বর্তমানে ভারতে গড়ে দৈনিক ৩০ লক্ষ মানুষ অনলাইনে রামি খেলে এবং কয়েকশো কোটি টাকার লেনদেন হচ্ছে । এদিকে যাতে কেউ অচেনা অজানা কোনও ওয়েবসাইটে প্রলুদ্ধ হয়ে প্রতারিত না হয় সেজন্য অনলাইন রামি সংস্থাগুলির উপর নজর রাখছে ‘দ্য রামি ফেডারেশন’। এটি একটি অলাভজনক স্বশাসিত সংস্থা৷ এই সংস্থার কর্তা জানিয়েছেন, নামী অডিট সংস্থাকে দিয়ে হিসেব পরীক্ষার পর, চারটি সংস্থা, ‘এস২থ্রি’, ‘জংলি রামি’, ‘রামি সার্কেল’ এবং ‘রামি প্যাশন’কে অ্যাক্রিডিটেশন দিয়েছে ‘দ্য রামি ফেডারেশন’।

সংস্থার কর্তা জানিয়েছেন, বর্তমানে ২,২০০ কোটি টাকার অনলাইন বাজার রয়েছে রামি খেলার এবং আগামী দু’বছরে গড়ে ৩৪ শতাংশ চক্রবৃদ্ধি হারে বেড়ে তা ৪,০০০ কোটি টাকায় দাঁড়াবে। বর্তমানে দেশে অনলাইনে ১৮টি সংস্থা মারফত অনলাইনে রামি খেলা যায় ৷ এই ১৮টি সংস্থার মধ্যে ৭টি সংস্থা ‘দ্য রামি ফেডারেশন’-এর স্বীকৃত। এই ৭টি সংস্থারের দখলে রয়েছে ৯৭ শতাংশ অনলাইন রামি রাজার ৷

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ