মেলবোর্ন: চলতি সপ্তাহের বৈঠকেই আসন্ন টি২০ বিশ্বকাপ নিয়ে তাঁদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিক বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা। সেই অনুযায়ী সমস্ত দ্বিধা দূরে সরিয়ে বাকিদের পরিকল্পনা রূপায়ণে অনেক সুবিধা হবে। এমনটাই মত প্রাক্তন অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক তথা বর্তমান ক্রিকেট বোর্ডের ডিরেক্টর মার্ক টেলরের।

আগামী ১৮ অক্টোবর থেকে ১৫ নভেম্বর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টি২০ বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও করোনার জেরে তা অনিশ্চয়তার চাদরে মোড়া। অতিমারীর জেরে সীমান্তে পারাপারে নিষেধাজ্ঞা সহ আর নানা কারণে টি২০ বিশ্বকাপ পিছিয়ে যেতে পারে ২০২২-এ। কান পাতলে শোনা যাচ্ছে এমন জল্পনা। আর সেই সুযোগেই অক্টোবর-নভেম্বর উইন্ডোকে আপাত স্থগিত আইপিএলের জন্য কাজে লাগাতে চাইছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। তবে পুরোটাই নির্ভর করছে আইসিসি’র সিদ্ধান্তের উপর।

আগামী ২৮ মে অর্থাৎ চলতি সপ্তাহের শেষে অন্যান্য অনেক বিষয়ের পাশাপাশি আইসিসি’র বোর্ড মিটিংয়ের অন্যতম আলোচ্য বিষয় হবে বিশ্বকাপের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা। ওই মিটিংয়েই টি২০ বিশ্বকাপ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করুক আইসিসি। এমনটাই দাবি অজি কিংবদন্তির। টেলরের মতে, ‘চলতি সপ্তাহে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছনো গেলে সেটা বাকিদের পক্ষে ভালো হবে। বাকিরা যদি-কিন্তু দূরে সরিয়ে আইসিসি’র সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্ল্যানিং করতে পারবে।’

তবে টেলরের ব্যক্তিগত মত শিডিউল অনুযায়ী অক্টোবর-নভেম্বরে টি২০ বিশ্বকাপ আয়োজন করা সম্ভব নয়। প্রাক্তন অজি অধিনায়কের মতে, ‘আপনি যদি আমায় জিজ্ঞেস করেন অক্টোবর-নভেম্বরে বিশ্বকাপের মতো আন্তর্জাতিক মানের একটা টুর্নামেন্ট আয়োজনের সিদ্ধান্ত জুতসই হবে কীনা, তাহলে আমার উত্তর অবশ্যই না।’

টেলরের মত দেশের মাটিতে আসন্ন টি২০ বিশ্বকাপের ভবিষ্যৎ নিয়ে মুখ খুলছেন অন্যান্য প্রাক্ত ক্রিকেটাররাও। সম্প্রতি বিশ্বকাপের উইন্ডোয় আইপিএল আয়োজনের পরিকল্পনা নিয়ে মুখ খুলেছেন বিশ্বজয়ী অজি অধিনায়ক অ্যালান বর্ডার। আপত্তি তুলে স্থানীয় এক রেডিও চ্যানেলকে কিংবদন্তি জানিয়েছেন, ‘এহেন সিদ্ধান্তে আমি খুশি নই একেবারেই। স্থানীয় প্রতিযোগীতার থেকে বিশ্বব্যাপী একটি টুর্নামেন্ট সবসময় বেশি প্রাধান্য পাওয়া উচিত। তাই আমার মতে টি২০ বিশ্বকাপ যদি চলতি বছর আয়োজন করা না যায় তাহলে আইপিএলে আয়োজন করাও উচিত নয়। এমনটা হলে আমি প্রশ্ন তুলব। এটা (আইপিএল) অর্থের অপচয় ছাড়া কিছুই নয়। নিশ্চিতভাবে টি২০ বিশ্বকাপকে সর্বাগ্রে প্রাধান্য দেওয়া প্রয়োজন।’

কলকাতার 'গলি বয়'-এর বিশ্ব জয়ের গল্প