পানাজি: জানুয়ারি ট্রান্সফার উইন্ডোর শেষদিকে এসে ওডিশা এফসি’র সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ সোয়াপ ডিল সেরে নিল এটিকে-মোহনবাগান। মরশুমের শুরুতে এ লিগের ক্লাব ব্রিসবেন রোর থেকে দলে নেওয়া মিডফিল্ডার ব্র্যাড ইনমানকে ছেড়ে দিল তারা। পরিবর্তে ওডিশা এফসি থেকে ব্রাজিলিয়ান স্ট্রাইকার মার্সেলিনহোকে দলে নিল সবুজ-মেরুন। সোয়াপ ডিলের মাধ্যমেই এই দুই ফুটবলারকে মরশুমের মাঝপথে লেনদেন করে নিল ওডিশা এবং এটিকে-মোহনবাগান। চলতি মরশুমের শেষ অবধিই ব্রাজিলিয়ান স্ট্রাইকারের সঙ্গে চুক্তি করেছে কলকাতার দলটি।

হায়দরাবাদ এফসি থেকে চলতি মরশুমের শুরুতে মার্সেলিনহোকে অনেক প্রত্যাশা করে দলে নিয়েছিল ওডিশা এফসি। কিন্তু ওডিশার জার্সি গায়ে চলতি আইএসএলে ৮টি ম্যাচে খেলে সেই প্রত্যাশাপূরণে ব্যর্থ হয়েছেন মার্সেলিনহো। ৩০৭ মিনিট মাঠে কোনও গোল করা তো দূরের কথা, একটি অ্যাসিস্টও নিজের নামে করতে ব্যর্থ হয়েছেন ব্রাজিলিয়ান স্ট্রাইকার। সেই অর্থে তাঁকে প্রথম একাদশে ব্যবহারই করেননি ওডিশা কোচ স্টুয়ার্ট বাক্সটার। গত ১৩ জানুয়ারি চেন্নাইয়িনের বিরুদ্ধে তাঁকে প্রথম একাদশে নামালেও দ্বিতীয়ার্ধে মার্সেলিনহোকে তুলে নেন কোচ।

অন্যদিকে ব্রিসবেন রোর থেকে মরশুমের শুরুতে হাবাসের দলে যোগ দেওয়া ইনমান চলতি মরশুমে সবুজ-মেরুন জার্সিতে সাতটি ম্যাচ খেলেছেন। যার মধ্যে পাঁচটিতে পরিবর্ত হিসেবে মাঠে নেমেছেন তিনি। ১১ জানুয়ারি মুম্বই সিটি এফসি’র বিরুদ্ধে ০-১ হেরে যাওয়া ম্যাচে শেষবারের জন্য মাঠে নেমেছিলেন অস্ট্রেলিয়াজাত স্কটিশ এই মিডফিল্ডার। কিন্তু সেই অর্থে কোনও ম্যাচেই ছাপ রাখতে ব্যর্থ হওয়ায় ইনমানকে ছেড়ে দিল বাগান।

অন্যদিকে মার্সেলিনহো ওডিশার জার্সিতে সফল হতে না পারলেও এটিকে-মোহনবাগানের তাঁকে দলে নেওয়ার কারণ আইএসএলে ব্রাজিলিয়ানের অভিজ্ঞতা। ২০১৬ দিল্লি ডায়নামোসের জার্সিতে অভিষেক মরশুমে ১০ গোল করে গোল্ডেন বুট দখল করেছিলেন মার্সেলিনহো। এছাড়া গত মরশুমে হায়দরাবাদ লিগ টেবিলে একেবারে নীচে শেষ করলেও মার্সেলিনহোর পা থেকে এসেছিল ৭টি গোল এবং ২টি অ্যাসিস্ট। তাই চলতি মরশুমে এখনও অবধি সাফল্য না পেলেও তাঁর অতীতের পারফরম্যান্স মার্সেলিনহোর হয়ে কথা বলছে।

অন্যদিকে সুযোগ পেয়েও ইনমান নিজেকে প্রতিষ্ঠা করতে না পারায় পরিবর্ত হিসেবে আইএসএল সার্কিটে অভিজ্ঞ মার্সেলিনহোর দ্বারস্থ হল বাগান। এমনিতেই চলতি মরশুমে খুব একটা ছন্দে নেই এটিকে-মোহনবাগানের স্ট্রাইকাররা। রয় কৃষ্ণা এখনও অবধি ৭ গোল করলেও গত মরশুমের ন্যায় কৃষ্ণা-উইলিয়ামস জুটি সেভাবে বিধ্বংসী হতে পারছে না চলতি বছর। সেকারণেই লিগের লাস্ট ল্যাপ এবং প্লে-অফের কথা মাথায় রেখেই অভিজ্ঞ মার্সেলিনহোকে হাতে নিয়ে রাখলেন হাবাস। এখন দেখার জার্সি বদলে পুরনো ছন্দে দেখা যায় কীনা ব্রাজিলিয়ানকে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।