হাওড়া : কয়েকদিন আগেই পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছেন বিশ্ব ফুটবলের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ কিংবদন্তি দিয়েগো মারাদোনা। তাঁর আকস্মিক প্রয়াণে বিশ্বজুড়ে শোকের ছায়া। তাঁর স্মৃতিতে গ্রামীণ হাওড়ার শ্যামপুরে স্মরণ সভার আয়োজন করল বঙ্গীয় কবি, শিল্পী, সাহিত্যিক ও বুদ্ধিজীবী ফোরাম।

মারাদোনার পাশাপাশি ভারতীয় ফুটবলের দুই কিংবদন্তি চুনী গোস্বামী ও পিকে ব্যানার্জীর স্মরণেও এই সভা অনুষ্ঠিত হল বলে উদ্যোক্তারা জানান। শুক্রবার শ্যামপুর মোড়ে এই স্মরণ সভার আয়োজন করা হয়েছিল। এদিনের সভায় উপস্থিত ছিলেন এলাকার একাধিক প্রাক্তন ফুটবলার, বর্তমান ফুটবলার, বিভিন্ন ক্লাবের কর্মকর্তারা৷ তিন ফুটবলারের ছবিতে মাল্যদানের পাশাপাশি কেউ কবিতা কেউবা নিজ বক্তৃতার মধ্য দিয়ে মারাদোনার প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য জানান। সংগঠনটির সম্পাদক উত্তম রায়চৌধুরী জানান,”এক বিশ্ববিশ্রুত আবেগের নাম মারাদোনা। তাঁর চলে যাওয়াটা বিশ্ব ফুটবলের কাছে এক অপূরণীয় ক্ষতি। তাঁকে স্মরণ করার মাধ্যমেই ফুটবলের প্রতি ভালোবাসা ও প্রীতিকে আরও সুদৃঢ় করতে হবে।”

এদিকে দিয়েগো মারাদোনার মৃত্যু নিয়ে বিতর্কও সৃষ্টি হয়েছে। তাঁর শেষ দিকের চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগে সরকারি সিলমোহর পড়েওছে। তাঁর মৃত্যু ঘিরে তদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট মঙ্গলবার পেশ করা হয়েছে সান ইসিদ্রোর অ্যাটর্নি জেনারেলের কাছে। এই রিপোর্টে সরাসরি চূড়ান্ত গাফিলতির অভিযোগ আনা হয়েছে।

তদন্তকারী টিমের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এক, চিকিৎসা সংক্রান্ত গাফিলতিতে মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। দুই, সে ক্ষেত্রে জানতে হবে অপরাধী কে? এবং তিন, মারাদোনার মৃত্যু এড়ানো যেত কি না। গাফিলতি না ভুল চিকিৎসা , মৃত্যুর সঠিক কারণ কী, সেটা খোঁজা হচ্ছে। ডাক্তার ইতিমধ্যেই জামিনের চেষ্টায়। যে কোনও সময় গ্রেফতার হওয়ার আশঙ্কায়। এই অবস্থায় মারাদোনার ফুটবলার ভাই হুগো মারাদোনা দাবি তুলেছেন, মৃত্যুর তদন্ত চাই। কেউ অপরাধী হলে তাঁর শাস্তি চাই। ইউরোপ, লাতিন আমেরিকা, কানাডা, জাপানে খেলা হুগো ইতালিতে আটকে ছিলেন। কোভিডের জন্য ভিসা না পাওয়ায় দাদার শেষকৃত্যে আসতে পারেননি।

এরই মধ্যে আর্জেন্তিনার নিউজ চ্যানেলে তুলে ধরা হয়েছে মারাদোনার শেষ সময়ের ওষুধের তালিকা। এক নিউরোলজিস্ট নেলসন কাস্ত্রো সেই সব ওষুধের বিশ্লেষণ করে জানিয়েছেন, একসঙ্গে এই সব ওষুধ খাওয়ার কিছু সমস্যা আছে। দু-একটি ওষুধ সরাসরি হৃৎপিণ্ডের উপর প্রভাব ফেলে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।