মস্কো: হাসছেন, কাঁদছেন, চেয়ার ছেড়ে লাফিয়ে উঠছেন, হতাশায় মুখ ঢাকছেন, আবার বিতর্কিত অঙ্গভঙ্গি করে ফুটবলমহলের বিরাগভাজন হচ্ছেন৷ আবেগ ও বিতর্ক বরাবর একসাথে নিয়ে চলা দিয়েগো মারাদোনা এবার রাশিয়া বিশ্বকাপ মাতাচ্ছেন শুরু থেকেই৷ ফুটবল প্রেমীদের কাছে মারাদোনার এমন আবেগঘন ছবি চাক্ষুশ করার মূল্য অপরিসীম৷ তবে রাশিয়ার কাটানো মারাদোনার প্রত্যেকটা দিন ফিফার কাছে আক্ষরিক অর্থেই দামি৷ কারণ, মারাদোনাকে দিনপিছু দশ হাজার পাউন্ড অ্যাপিয়ারেন্স ফি দিতে হচ্ছে ফুটবলের আন্তর্জাতিক নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে৷

শুধু আর্জেন্তিনার ম্যাচের দিনগুলিতেই নয়, বাকি সময়েও দিয়োগোর থাকা, খাওয়া, বিলাসবহুল গাড়িতে ঘুরে বেড়ানো, স্টোডিয়ামে পান-ভোজনের এলাহি বন্দোবস্ত, সব কিছুর খরচও বহন করতে হচ্ছে ফিফাকে৷ এই সব খরচই মারাদোনার দৈনিক বরাদ্দের বাইরে৷

ফিফা প্রেসিডেন্ট ইনফান্তিনোর লেজেন্ড কনসেপ্টে সামিল হয়েই মারাদোনার রাশিয়া যাত্রা৷ ইনফান্তিনোর ধারণা, কিংবদন্তিদের সামনে বর্তমান প্রজন্ম মাঠের লড়াইয়ে নিজেদের উদ্দীপ্ত করতে পারবে৷ তাছাড়া দর্শকরাও ফুটবলের অতীত ঐতিহ্যের সঙ্গে বর্তমানের মেলবন্ধন উপভোগ করবেন মাঠে এসে৷

সভাপতির এমন ভাবনা থেকেই গাঁটের কড়ি খরচ করে মারাদোনার মতো কিংবদন্তিদের বিশ্বকাপের আসরে নিয়ে যাওয়া ফিফার৷ একা দিয়েগোই নন, রাশিয়ায় ফিফার লেজেন্ডদের তালিকায় রয়েছেন রোনাল্ডো, ক্লোসে, পুয়োল, ক্যাসিয়াস, জাভি, স্যামুয়েল এটোরাও৷

যদিও এক্ষেত্রে মারাদোনাকে বাড়তি গুরুত্ব দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ফিফার বিরুদ্ধে৷ প্রতি ম্যাচে মারাদোনার জন্য রাজকীয় বন্দোবস্ত থাকছে৷ আর্জেন্তাইন কিংবদন্তিকে গ্যালারির সব থেকে ভালো জায়গা থেকে খেলা দেখার সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে৷ বাকিদের প্রতি ফিফা যত্নশীল হলেও মারাদোনার প্রতি অতিরিক্ত গুরুত্ব আরোপ প্রশ্নের মুখে ফেলে দিচ্ছে ফিফাকে৷

এদিকে নাইজেরিয়ার বিরুদ্ধে আর্জেন্তিনার ম্যাচের পর তাঁর মৃত্যুর খবর রটানো ব্যক্তিকে চিনিয়ে দিতে পারলে দশ হাজার মার্কিন ডলরা পুরস্কার ঘোষণা করেছেন দিয়েগো৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I