রায়পুর: এখনও অনিশ্চিত হয়ে ঝুলছে নিখোঁজ কোবরা জওয়ান রাকেশ সিংহ মনহাসের ভাগ্য। তাঁর মুক্তির আগে মধ্যস্থতাকারীদের নাম জানাক কেন্দ্র এমনটাই দাবি মাওবাদীদের। পাশাপাশি তাঁরা জানিয়েছে, তাঁদের হাতে আটক হওয়া ওই জওয়ান সুরক্ষিত আছেন। যদিও এ নিয়ে একেবারে নিশ্চিত হতে পারছে না পুলিশ।

আরও খবর পড়ুন – আজ ফের রাজ্যে অমিত শাহ, উত্তরবঙ্গ ও কলকাতায় প্রচারে ঝড় তুলবেন মমতা

মাওবাদী সংগঠনের পক্ষ থেকে মঙ্গলবার একটি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ৩ এপ্রিল এনকাউন্টারের সময় রাকেশ সিংহ মনহাসকে ‘আটক’ করে মাওবাদীরা এবং সে তাঁদের অধীনে এখন সুরক্ষিত রয়েছে। সেই বিবৃতিতেই বলা হয়েছে, “সরকার আগে মধ্যস্থতাকারীদের নাম জানাক, তারপর আমরা তাঁকে পুলিশের হাতে তুলে দেব।”

মাওবাদীদের বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, গুলির যুদ্ধে তাঁদেরও ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এরমধ্যে একজন আবার মহিলা। তাঁদের নাম ও ছবিও প্রকাশ করেছে সংগঠন। মৃতদের মধ্যে রয়েছে নুপো সুরেশ, কাওয়াসি বাদরু, পদম লখমা, মানদভি সুক্ক ও ওডি সানি।

আরও খবর পড়ুন – একদিনে আক্রান্ত ৫৫ হাজারের বেশি, অক্সিজেনের অপ্রতুলতায় ভুগছে হাসপাতাল

অন্যদিকে ‘আটক’ কোবরা জওয়ান রাকেশ সিংহ মনহাসের স্ত্রী মিনু দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে অনুরোধ করেছেন যেভাবে অভিনন্দন বর্তমানকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছিল, তেমন ভাবেই তাঁরা যেন রাকেশ সিংহকে বাড়ি ফিরিয়ে আনেন।

পাশাপাশি জওয়ানের শিশুকন্যাও বাবাকে ছেড়ে দেওয়ার আর্জি জানিয়েছে। একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, সে ফোঁপাতে ফোঁপাতে বলছে, “দয়া করে আমার বাবাকে ছেড়ে দাও।” এরপরেই কান্নায় ভেঙে পড়ে সে।

আরও খবর পড়ুন – করোনা-কাঁপুনি গোটা দেশে, নতুন করে আক্রান্ত ১ লক্ষ ৭ হাজার

উল্লেখ্য, সচেতন মহলের বক্তব্য, যেভাবে মাওবাদীরা রাকেশ সিংহ’কে ঢাল বানিয়ে আলোচনায় বসতে চাইছে তা নজিরবিহীন। অনেকের বক্তব্য, এই এনকাউন্টারের পর জঙ্গলে কেন্দ্রীয় বাহিনী যে আরও সক্রিয় হয়ে উঠবে সে কথা মাথায় রেখেই মধ্যস্থতার দিকে জোর দিচ্ছে মাওবাদীরা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.