স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: ভোটের রেজাল্টের আগের দিন মাওবাদী পোস্টার ঘিরে তোলপাড় জঙ্গলমহল। শনিবার ঝাড়গ্রামের বিনপুর থানার লালডাঙ্গার চাঁদাবিলা, মাধবপুর গ্রামে বেশ কয়েকটি মাওবাদী পোস্টার দেখতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। পরে পুলিশ গিয়ে পোস্টারগুলি উদ্ধার করে। পোস্টারগুলিতে ছাপার অক্ষরে নিজেদের দাবিদাওয়া তুলে ধরা হয়েছে৷

যদিও পুলিশের তরফে সাধারণ মানুষকে আশ্বস্ত করে জানানো হয়েছে যে, এলাকায় আতঙ্ক তৈরি করতেই মাওবাদীদের নাম ব্যবহার করা হচ্ছে। স্থানীয় কেউ হয়তো এই পোস্টার লাগিয়েছে বলে দাবি। যদিও এই ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।কোথা থেকে কে বা কারা এই পোস্টার এনেছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে৷ পাশাপাশি জঙ্গলমহলে চলছে পুলিশের চিরুনি তল্লাশি৷ এলাকায় কোনও নাশকতার ছক করা হচ্ছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: ভারত থেকে ফিরলেই হতে পারে ৫ বছরের জেল অথবা জরিমানা, ঘোষণা অস্ট্রেলিয়ার

গত কয়েক মাস ধরেই জঙ্গলমহল থেকে মাও পোস্টার উদ্ধার হয়েছে৷ সম্প্রতি মাওদের পোস্টার-ব্যানারে কেন্দ্রীয় সরকারের নয়া কৃষি আইনের বিরোধিতা করা হয়েছে৷ পাশাপাশি সমস্ত রাজনৈতিক বন্দিদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি রেখেছেন এবং আদানি, মিত্তল, টাটাদের জমি দখলের বিরুদ্ধেও কথা রয়েছে। এছাড়া জঙ্গলমহলের সমস্ত স্কুল, পঞ্চায়েত ভবন, স্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে পুলিশ ক্যাম্প সরানোর দাবি রয়েছে। পোস্টারগুলো বাংলায় ও হিন্দিতে লেখা ছিল৷

কিছুদিন আগে  অযোধ্যা পাহাড়তলির বিভিন্ন জায়গায় মাওবাদী নামাঙ্কিত পোস্টার দেখা যায়। বলরামপুর ব্লকের মুরুগাড়া, ঝালদা-২ ব্লকের দড়দা, বাগবিন্ধ্যা, মুরগুমা ও বেগুনকোদরে প্রায় একই ভাষায় লাল কালিতে হাতে লেখা ওই পোস্টার উদ্ধার হয়। তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, পাহাড়ে মাওবাদীরা এখন নেই। হয়তো আতঙ্ক সৃষ্টি করতেই পোস্টার দেওয়া হচ্ছে। কারণ দিন কয়েক আগে কিছু যুবক-যুবতী নিজেদের সমাজের মূল স্রোতে ফিরে আসা মাওবাদী পরিচয় দিয়ে পুনর্বাসনের দাবিতে পুরুলিয়ার জেলাশাসকের দপ্তরের বাইরে বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন। এঁরা মূলত মাওদের ফ্রন্টলাইন আদিবাসী মূলবাসী জনগণের কমিটির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। কেউ কেউ লিঙ্কম্যানের কাজ করতেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.