স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: ডেঙ্গু ইস্যুতে বিতর্ক কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না তৃণমূলকে৷ কয়েকদিন আগে ডেঙ্গু প্রসঙ্গে সাফাই দিতে গিয়ে ‘মশা আমাদের হাতে নেই’ বলে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী৷ এবার কলকাতা পুরসভার মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়ের সাফাই, ‘‘বাম আমলে এর চেয়ে অনেক বেশি মানুষ ডেঙ্গুতে মারা যেতেন৷ এখন ডেঙ্গু যতটা না হচ্ছে তার চেয়ে বেশি হইচই করছে বিরোধীরা।’’

দেরিতে হলেও বৃহস্পতিবার ডেঙ্গু প্রতিরোধে বৈঠকে বসল তৃণমূল পরিচালিত কলকাতা পুরসভা৷ তবে এই বৈঠক নিয়েও বিতর্ক উঠেছে। কংগ্রেস ও সিপিএমের তরফে অভিযোগ করা হয়েছে যে, বিরোধী কাউন্সিলরদের ডেঙ্গ প্রতিরোধের বৈঠকে ডাকা হয় নি। স্বাভাবিকভাবেই দলতন্ত্র কায়েমের অভিযোগ তুলেছে বিরোধীরা৷
বৈঠক শেষে মেয়র জানিয়েছেন, ডেঙ্গু মোকাবিলায় কলকাতা পুরসভার ১৪৪টি ওয়ার্ডকেই ১০হাজার টাকা করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁর সংযোজন, ‘‘ওই ১০হাজার টাকা নিয়ে দলের পতাকা কিনলে হবে না!’’ স্বাভাবিকভাবেই ডেঙ্গু প্রতিরোধের ওই টাকা বিরোধী কাউন্সিলররা পাবেন কি না তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে৷

প্রসঙ্গত, এবারে কলকাতা সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে অজানা জ্বরের প্রকোপ ক্রমেই বাড়ছে৷ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে প্রায় প্রতিদিনই বিভিন্ন এলাকা থেকে মৃত্যুর খবর আসছে৷ গত ৪৮ ঘণ্টায় রাজ্যে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ৬জনের মৃত্যু হয়েছে৷ বিরোধীদের অভিযোগ, ডেঙ্গু প্রতিরোধের উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণের পরিবর্তে ডেঙ্গু আক্রান্ত ও মৃতদের তথ্য ধামাচাপা দিতে বেশি তৎপর রাজ্য সরকার৷

বিরোধীদের অভিযোগ, ডেঙ্গুতে মৃত্যুর ঘটনা ঘটলেও সরকারের নির্দেশেই চিকিৎসকরা ডেথ সার্টিফিকেটে অজানা জ্বরের কথা উল্লেখ করছেন৷ স্বভাবতই ডেঙ্গু ইস্যুতে কলকাতা সহ সারা রাজ্যজুড়েই প্রতিবাদ আন্দোলনে নেমেছেন বিরোধীরা৷ ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এই অবস্থায় ডেঙ্গু ইস্যুতে বিরোধীদের ব্রাত্য রেখে কলকাতা পুরসভার এক তরফা বৈঠক ও বৈঠক শেষে মন্তব্যের জেরে নিজেদের মুখ রক্ষার পরিবর্তে বিরোধীদের হাতে আন্দোলনের আরও অস্ত্র তুলে দিলেন স্বয়ং মেয়রই৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.