ভাঙড়: শক্তি বাড়ল তৃণমূলের। ভাঙড়ে প্রায় শ’তিনেক গ্রামবাসী সোমবার তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন। রাজ্যের শাসকদলে যোগ দেওয়া এই গ্রামবাসীদের অনেকেই ভাঙড়ের পাওয়ার গ্রিড বিরোধী আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে ও আগামিদিনে রাজ্যের উন্নয়ন-যজ্ঞে সামিল হতে চেয়ে এদিন ভাঙড়ের এই শ’তিনেক বাসিন্দা তৃণমূলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন।

সোমবার সকালে ভাঙড়ের পোলেরহাট বাজারে সদ্য দলে আসা মানুষজনকে বরণ করে নেন স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। দলে আসা ব্যক্তিদের হাতে তৃণমূলের পতাকা হাতে তুলে দেওয়া হয়।

স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের দাবি, এদিন ভাঙড়ের যে বাসিন্দারা তাঁদের দলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন তাঁদের অধিকাংশই একসময় ভাঙড়ের পাওয়ার গ্রিড বিরোধী আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। জমি-জীবিকা ও বাস্তু কমিটির সদস্য ছিলেন তাঁরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ভাঙড়ের মিদ্দে পাড়া, মাছিভাঙ্গা-সহ একাধিক গ্রামের বাসিন্দা এদিন তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। পাওয়ার গ্রিড বিরোধী আন্দোলনে এই গ্রামগুলি থকেই স্বতস্ফূর্ত সাড়া মেলে এক সময়।

মূলত তাঁদেরই উপর্যুপরি আন্দোলনে এক সময় পাওয়ার গ্রিড প্রকল্প থেকে পিছু হঠতে বাধ্য হয় রাজ্য সরকার। তারপর থেকেই ভাঙড়ে সংগঠনকে চাঙ্গা করতে ও সংগঠনের ভীত মজবুত করতে তৎপরতা শুরু হয় তৃণমূলে।

কীভাবে এলাকায় দলের শক্তি বাড়ানো যায় তা নিয়ে রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গেও দফায়-দফায় আলোচনা হয় ভাঙড়ের তৃণমূল নেতৃত্বের। শেষমেশ ভাঙড়ের জমি-জীবিকা ও বাস্তু কমিটিতে ভাঙন ধরাতে সক্ষম হল রাজ্যের শাসকদল।

দলে আসা প্রত্যেককে অভিনন্দন জানিয়েছেন ভাঙড়ের তৃণমূল নেতা আরাবুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘পাওয়ার গ্রিড নিয়ে স্থানীয় কিছু মানুষকে ভুল বোঝানো হয়েছিল। তার জেরেই হিংসাত্মক ঘটনা ঘটে।’ নকশাল নেতারা ভাঙড়ের কিঠু মানুষকে ভুল বুঝিয়ে আন্দোলনে যুক্ত করেছিলেন বলে দাবি আরাবুলের।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও