নয়াদিল্লি: করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে সংক্রমণ যে হারে ছড়াচ্ছে তাতে বিগত দু’তিন দিনে সংক্রমিতের সংখ্যা তিন লাখ ছাড়িয়ে গেছে। যা গোটা একবছরের রেকর্ড মাত্রা পার করে গেছে। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের জন্যে দেশের বিভিন্ন রাজ্য নিজেদের মত করে প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণবিধি জারি করেছেন। নেওয়া হয়েছে একাধিক পদক্ষেপ। তবে তাদের সবগুলিকেই সঠিক পদক্ষেপ বলে মনে করেছেন না অভিনেত্রী জুহি চাওলা।

তাহলে কী মনে করছেন অভিনেত্রী? আসুন জেনে নেওয়া যাক…

শুটিং বন্ধ হওয়ার সিদ্ধান্তে সহমত পোষণ করেছেন। কারণ তিনি মনে করেন, শুটিংয়ের সময় এক জায়গায় এত মানুষের জমায়েতের ফলে সংক্রমণ বাড়ার সম্ভাবনা আরও দ্বিগুণ বেড়ে যায়। এছাড়া শুটিংয়ের সময় সকল কলাকুশলীদের ১২ ঘণ্টা ধরে মুখে মাস্ক পরে থাকতে হয়। যা তাদের স্বাস্থের জন্যে একেবারেই ভালো নয়। তাই এই বিষয় আপত্তি জানিয়েছেন অভিনেত্রী। তিনি বলেছেন, টানা এক ঘণ্টার বেশি মাস্ক পরে থাকলে তার নিজেরই শ্বাসকষ্ট হয়। আর শুটিংয়ের সময় কলাকুশলীরা টানা এতক্ষণ মাস্ক পরে থাকলে তাদের শরীর খারাপ হতে পারে বলেই মনে করেন অভিনেত্রী। একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জুহি বলেছেন, ‘মুখে মাস্ক পরে সারাক্ষণ থাকার ফলে আমার থেকে নিঃসৃত কার্বন- ডাই- অক্সাইডের মধ্যেই চলতে থাকে শ্বাস প্রশ্বাস। এই ভাবে চলতে থাকলে শরীর আরও খারাপ হয়ে পরবে’।

অভিনেত্রী আরও বলেছেন, বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে সারাক্ষণ করোনার ভয়াবহ দৃশ্য দেখান বা আলোচনার ফলে সাধারণ মানুষ আরও অস্থির হয়ে পড়ছে। তাদের মনে আশঙ্কা ও ভয় কাজ করছে। জুহির কথায়, ‘করোনা নিয়ে আলোচনা বা চর্চা যত বেশি করে হবে, মানুষ তত ভীত হয়ে উঠবে। আর এই ভয় বা চিন্তা থেকেই শ্বাসকষ্ট হচ্ছে অনেকের। তার ফলে তারা হসপিটালে অ্যাডমিট হতে যাচ্ছেন। অযথা হসপিটালে বেড ভর্তি হয়ে চলেছে। অথচ যাদের সত্যি প্রয়োজন তারা বেড পাচ্ছে না হসপিটালে। যার ফলে পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। তাই অভিনেত্রী জুহি চাওলা মানুষকে অযথা ভয় না পেয়ে যোগব্যাম এবং আয়ুর্বেদের উপর ভরসা রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.