কল্যাণী: মূলত ব্যাটিং পিচের প্রত্যাশাতেই ইডেনের বদলে হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে রঞ্জি ম্যাচ কল্যাণীর বেঙ্গল ক্রিকেট অ্যাকাডেমি মাঠে খেলতে চেয়েছিল বাংলা দল৷ প্রাথমিকভাবে পিচের সম্ভাব্য চরিত্র নিয়ে সংশয়ে থাকলেও হোম টিমের প্রত্যাশা পূরণে সফল কল্যাণীর বাইশগজ৷ ম্যাচের প্রথম দিনেই বাংলা যেভাবে দাপটের সঙ্গে ব্যাট করল, তাতে রানের খনি মনে হচ্ছে পিচকে৷

আরও পড়ুন: দুরন্ত শতরানে জয়সূর্যকে টপকালেন হিটম্যান

সঙ্গত কারণেই অর্ডারি পিচে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয়৷ শুরুর দিকে পিচের তাজাভাবের সুযোগ নিয়ে বাংলার টপ অর্ডারে ধাক্কা দেয় হায়দরাবাদ৷ তবে একবার পিচের আদ্রতা দূর হতেই যথেচ্ছ রান তোলেন মনোজ তিওয়ারি, অনুষ্টুপ মজুমদার, শ্রীবৎস গোস্বামীরা৷

আরও পড়ুন: রোহিত-কোহলি যুগলবন্দিতে সিরিজ জয় ভারতের

ইনিংসের প্রথম ওভারেই রবি কিরণের বলে কট বিহাইন্ড হন অভিষেক রামন৷ ক্যাপ্টেন অভিমন্যু ঈশ্বরন ১২ রান করে রবি তেজার বলে এলবিডব্লিউ হন৷ অভিষেককারী কাজি জুনাইদ সফি ২৭ রান করে পি সাইরামকে উইকেট দেন৷ দলগত ৬০ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর বাংলা ইনিংসের হাল ধরেন মনোজ-অনুষ্টুপ জুটি৷ দু’জনে মিলে চতুর্থ উইকেটের জুটিতে ১১২ রান যোগ করেন৷ অনুষ্টুপ ব্যক্তিগত ৫৯ রানে মেহেদি হাসানের বলে আউট হন৷

আরও পড়ুন: চিন্নাস্বামীতে সচিনকে ছোঁয়া হল না কোহলির

৬ নম্বরে ব্যাট করতে নামা শ্রীবৎস গোস্বামীকে সঙ্গে নিয়ে পঞ্চম উইকেটের জুটিতে ১৯০ রান জোড়েন মনোজ৷ ইতিমধ্যে ব্যক্তিগত শতরান পূর্ণ করেন তিওয়ারি৷ শ্রীবৎস নিশ্চিত শতরান মাঠে ফেলে আসেন৷ দিনের শেষ বেলায় তিনি আউট হন ব্যক্তিগত ৯৫ রানে৷ ১৬৫ বলের ইনিংসে শ্রীবৎস ১৪টি বাউন্ডারি মারেন৷ মনোজ অপরাজিত থাকেন ১৫৬ রানে৷ ২১২ বলের ইনিংসে তিনি ১৫টি চার ও ৩টি ছক্কা মারেন৷ বাংলা আপাতত প্রথম দিনের শেষে ৫ উইকেটের বিনিময়ে ৩৬৬ রান তুলেছে৷