স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: বর্ষীয়ান সিপিএম নেতা শ্যামল চক্রবর্তীর প্রয়ানে শোকপ্রকাশ করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা আব্দুল মান্নান। তাঁর কথায়, রাজ্যে বর্তমান অবস্থায় সোমেন মিত্র এবং শ্যামল চক্রবর্তীর চলে যাওয়া বাম কংগ্রেসের জোটের জন্য ক্ষতি হল।

রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রীর মৃত্যুর পর শোকবার্তায় রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা প্রবীণ কংগ্রেস নেতা আবদুল মান্নান বলেন, “রাজনৈতিক বিরোধিতার মধ্যেও সম্পর্ক অটুট ছিল। রাজ্যে বর্তমান অবস্থায় সোমেন মিত্র এবং শ্যামল চক্রবর্তীর চলে যাওয়া বাম কংগ্রেসের জোটের জন্য ক্ষতি হল। অনেক জটিল সমস্যার সমাধান করে দিতেন। ২০১৬ সালে বিধানসভা নির্বাচনে জোট নিয়ে একাধিক সমস্যার ফাঁস উনি কাটিয়ে দিয়েছিলেন সহজে।”

মান্নান বলেন, “ছাত্র রাজনীতি থেকে ওঁকে দেখছি। বিরোধী হলেও ওঁদের বক্তব্য শোনার জন্য আমরা উদগ্রীব থাকতাম। আমার কাছে খুব আকর্ষণীয় ব্যাক্তিত্ব। বিরোধীদের উনি যেভাবে বিদ্রুপে বিঁধতেন তা শালীনতা বজায় রেখে। শিক্ষণীয়। যখন মন্ত্রী ছিলেন তখনও বিরোধীদের মর্যাদা দিতেন ও কথা শুনতেন তিনি। অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে গেল।”

বৃহস্পতিবার দুপুরে পিয়ারলেস হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। করোনা আক্রান্ত হয়ে পিয়ারলেস হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি। ভেন্টিলেটর সাপোর্টে রাখা হয়েছিল তাঁকে। বুধবার দুপুরের পর থেকেই অবস্থার অবনতি থাকে সিটু নেতার। শেষমেশ এদিন জীবনযুদ্ধ থেমে গেল ষাটের দশকের ছাত্র আন্দোলনের নেতার। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর।

রাজ্য ক্ষমতার পালা বদলের পরও সক্রিয় রাজনীতির অংশ ছিলেন শ্যামল চক্রবর্তী। ২০১৬ সালে বাম-কংগ্রেস জোটের অন্যতম কাণ্ডারীও ছিলেন তিনি। এমনকী, ভাঙা শরীর নিয়েও আগামী বিধানসভা নির্বাচনের আগে ফের কংগ্রেসের সঙ্গে জোটের বিষয় সক্রিয় ভূমিকা পালন করছিলেন।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও