নয়াদিল্লি: নিরাপত্তা নিয়ে কোনও আশংকা নেই প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের৷ এই যুক্তি দেখিয়ে এসপিজি বা স্পেশাল প্রোটেকশন গ্রুপ তুলে নেওয়া হচ্ছে মনমোহন সিংয়ের৷ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক জানিয়েছে এসপিজি তুলে নিয়ে তাঁর নিরাপত্তার ভার দেওয়া হচ্ছে সিআরপিএফকে৷

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের একটি উচ্চপদস্থ বৈঠকের পর মনমোহন সিংয়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থা কাঁটছাটের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়৷ এসপিজি দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা৷ বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীর মত রাজনীতিকদের এই সুরক্ষাবলয়ের আওতায় রাখা হয়৷ সূত্রের খবর, শুধু মনমোহন সিংই নন, এসপিজি সরিয়ে দেওয়া হয়েছে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এইচ ডি দেবেগৌড়া ও ভি পি সিংয়ের থেকেও৷

আরও পড়ুন : অসৌজন্যের অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক সভায় আমন্ত্রিত নন সাংসদ আলুওয়ালিয়া

সোমবার এক বিবৃতিতে স্বরাষ্টরমন্ত্রক জানিয়েছে, এই ধরণের সিদ্ধান্ত এক রুটিন বৈঠকে নেওয়া হয়েছে৷ জীবনহানির আশংকা বা প্রাণনাশের হুমকি যে সব নেতাদের নেই, তাদেরই নিরাপত্তা কমানো হয়েছে৷ তবে এঁরা প্রত্যেকেই জেড প্লাস ক্যাটাগরির নিরাপত্তা পাবেন৷ নিরাপত্তা নিয়ে কোনও আপোষ করা হবে না৷

মনমোহন সিং হলেন দেশের ১৪তম প্রধানমন্ত্রী৷ তিনি ২০০৪ থেকে ২০১৪ প্রধানমন্ত্রী ছিলেন৷ ১৯৯৮থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত যখন ভারতীয় জনতা দলের সরকার ছিল তখন তিনি ছিলেন রাজ্য সভার বিরোধী দলনেতা৷ ১৯৯১থেকে ১৯৯৬ সালে তিনি ছিলেন নরসীমা রাওয়ের আমলে অর্থমন্ত্রী৷ তাঁর হাত ধরেই তখন দেশের অর্থনৈতিক সংস্কার হয়েছিল৷

আরও পড়ুন : সরকারের চাপ বাড়িয়ে নূন্যতম ১৮ হাজার টাকার দাবিতে আন্দোলনে কর্মীরা

এদিকে, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং রাজস্থান থেকে রাজ্যসভায় নির্বাচিত হন৷ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন মনমোহন৷ কারণ ভারতীয় জনতা পার্টির পক্ষ থেকে সেখানে কোনও প্রার্থী দেওয়া হয়নি৷ মনোনয়ন প্রত্যাহার করার সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ার পরেই মনমোহন সিং জয়ী বলে ঘোষণা করা হয়৷

বিজেপি-র মদনলাল সাইনি মৃত্যুর জন্য রাজ্যসভার এই আসনটি খালি হয়েছিল৷ সংসদের উচ্চকক্ষে মনমোহন সিংয়ের জয়ের পরে রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানান৷