নয়াদিল্লি: করোনায় কাবু গোটা দেশ। উদ্বিগ্ন কংগ্রেস শিবির। এই নিয়ে কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধী প্রধানমন্ত্রীকে আক্রমণ শানিয়েছেন। ইতিমধ্যে মোদিকে চিঠি দিয়েছেন কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী। এবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি দিলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী তথা কংগ্রেস নেতা মনমোহন সিং। লাগামহীন করোনার রাশ টানতে মূলত পাঁচটি বিষয়ের উপর দিয়েছেন তিনি।

মনমোহন সিং তার চিঠিতে টিকাকরণ কর্মসূচি বাড়ানোর আহ্বান জনিয়েছেন। যদি সরকার এই সময় নির্দিষ্ট লক্ষমাত্রায় টিকা দিতে চায় তবে পর্যাপ্ত অর্ডার আগে থেকেই করা উচিত। তবেই উৎপাদকেরা সরবরাহের একটি সময়সূচী পাবে এবং নির্দিষ্ট সময়ে সরবরাহ করতে পারবে।

দ্বিতীয় পরামর্শে মনমোহন সিং উল্লেখ করেছেন, সরকারের ঠিক করা উচিত স্বচ্ছ্বভাবে ভ্যাকসিন কিভাবে দেশের প্রত্যেক প্রান্তে বিতরণ করা হবে। কেন্দ্রীয় সরকারের উচিত জরুরি প্রয়োজনের ভিত্তিতে ১০ শতাংশ ভ্যাকসিন বিতরণ করা।পাশাপাশি এটাও খেয়াল রাখতে হবে যাতে রাজ্যগুলোতে পর্যাপ্ত ভ্যাকসিন আছে কিনা। তারপরেই রাজ্যগুলো তাদের পরিকল্পনাঅনুযায়ী কাজ করতে পারবে।

প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী তার তৃতীয় পরামর্শে বলেছেন, ফ্রন্টলাইন কর্মীদের ক্ষেত্রে রাজ্যগুলোর নমনীয়তা বজায় রাখা উচিত ।সেক্ষত্রে ৪৫ বছরের নিচে যারা তাদের টিকা দেওয়া যেতে পারে বলে জানিয়েছেন।

মনমোহন সিং তার চতুর্থ পরামর্শে বলেছেন যে, ভ্যাকসিন উৎপাদকদের সুবিধাগুলো প্রসারিত করতে হবে। তহবিল এবং অন্যান্য ছাড়ের দিকে কেন্দ্রকে নজর দিতে হবে।তিনি আরও বলেছেন অন্যান্য কোম্পানিগুলোকে আইনত লাইসেন্স দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে, যাতে তারা আরও বেশি করে ভ্যাকসিন তৈরি করতে পারে। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইজরায়েলের উদাহরণ দিয়ে বলেছেন যে, ইতিমধ্যে তারা বাধ্যতামূলক লাইসেন্সিং নিয়মটি চালু করেছে এবং ভারতের পক্ষেও তাড়াতাড়ি করার ব্যবস্থা রয়েছে।

পঞ্চম পরামর্শে তিনি বলেন এখনও পর্যন্ত আমাদের ঘরোয়া ভ্যাকসিন ব্যবহার হচ্ছে। এবং তা সীমিত পরিমাণে। সুতরাং ইউরোপিয় মেডিক্যাল এজেন্সি বা ইউএসএফডিএ-এর মত বিশ্বাসযোগ্য কর্তৃপক্ষ দ্বারা অনুমোদিত হয়েছে এমন কোনও ভ্যাকসিন আমদানির অনুমতি দেওয়া উচিত।

অপরদিকে দেশের করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এবার আসরে দেশের প্রতিরক্ষা গবেষণা সংস্থা ডিআরডিও বা ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন। রাজধানী দিল্লিতে কোভিড ফেসিলিটি সেন্টার তৈরি করল এই সংস্থা। এতে রাখা হয়েছে অক্সিজেন বেড ও ভেন্টিলেটর।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.