নয়াদিল্লি: ছিল ১৪, ছেঁটে দাঁড়াল ৫-এ। গত ২৬ মে প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে মনমোহনকে একটি চিঠি দিয়ে জানান হয় তার জন্য বরাদ্দ কর্মীর সংখ্যা ১৪ জনের পরিবর্তে ৫ জন করে দেওয়া হচ্ছে। তাই এভাবে তার জন্য বরাদ্দ সরকারি কর্মীদের ছাঁটাই না করার আর্জি জানিয়ে মোদীকে চিঠি লিখলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং।

আরও পড়ুন- দিলীপের ভার লাঘবে বিজেপিতে বৈঠকের ডাক অমিত শাহের

উল্লেখ্য, তাঁর জন্য বরাদ্দ সরকারি কর্মী সংখ্যা না কমানোর জন্য আগেও নরেন্দ্র মোদীকে আর্জি জানিয়ে ছিলেন তিনি। কিন্তু সেই আবেদন খারিজ করে দেওয়া হয়। তারপর ফের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে একই আবেদনপত্র পাঠালেন মনমোহন।

নিয়ম না থাকলেও কর্মী সংখ্যা এক রাখাই দস্তুর। সেই হিসেবেই সরিয়ে দেওয়া কর্মীদের পুনর্বহালের জন্য মোদীকে আর্জি জানান মনমোহন। এই আর্জিপত্রে তিনি উল্লেখ করেছেন, তিনি প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর বরাদ্দ কর্মীসংখ্যা কমাননি তিনি। তবে কেন্দ্রের তরফে মনমোহনের আবেদনের ভিত্তিতে এখনও কোন সাড়া মেলেনি।

আরও পড়ুন- কচুরিওয়ালার আয় নাকি ৭০ লাখ, বাড়িতে হানা দিয়ে হতাশ হলেন জিএসটি অফিসাররা

অবসরপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রীর জন্য ১৪ জন সরকারি কর্মী বরাদ্দ হয়। তার মধ্যে থাকেন ডিরেক্টর, আন্ডার সেক্রেটারি, ডেপুটি সেক্রেটারি, ব্যক্তিগত সহকারী, পিয়ন, করণিকের মতো কর্মীরা। প্রাক্তন হওয়ার পর থেকে গত পাঁচ বছর মনমোহনের জন্য সেই ১৪ জন কর্মীই ছিল।

কিন্তু দ্বিতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগেই গত ২৬ মে প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে মনমোহনকে একটি চিঠি পাঠানো হয়। যেখানে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তাঁর আর্জি খারিজ করেছেন। বরাদ্দ কর্মীর সংখ্যা ১৪ জন রাখার পরিবর্তে ৫ জন করে দেওয়া হচ্ছে। এরপরই মনমোহন মোদীকে চিঠি লিখে তাঁর কর্মীদের পুনর্বহালের আর্জি জানান।

প্রধানমন্ত্রীর দফতর সূত্রে খবর, আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন মোদী। তারপরেও একই আর্জি জানিয়ে চিঠি লিখেছেন মনমোহন।