স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: উপনির্বাচনে নোয়াপাড়া বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপির টিকিটে কে লড়বেন? এটাই এখন রাজ্য রাজনীতির লাখ টাকার প্রশ্ন। তৃণমূল কংগ্রেসের দুই বারের বিধায়ক মঞ্জু বসু নাকি এবার নিজের কেন্দ্র নোয়াপাড়ায় হতে চলেছেন পদ্ম শিবিরের বাজি।

আরও পড়ুন- জয় সুনিশ্চিত ধরেই ভোটের ময়দানে সুনীল সিং

বৃহস্পতিবার সকাল থেকে এই নিয়ে শুরু হয় জল্পনা। এই বিষয়ে পরিষ্কার করে কিছু বলেননি নোয়াপাড়ার প্রাক্তন বিধায়ক মঞ্জু বসু। বিজেপির রাজ্য স্তরের নেতারাও মুখে কুলুপ এঁটেছেন মঞ্জু বসুর বিষয়ে।

ওই দিন বিকেলেই প্রকাশ্যে আসে চাঞ্চল্যকর ছবি। যেখানে দেখা যাচ্ছে বিজেপির কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা কৈলাশ বিজয়বর্গীয়র সঙ্গে বসে বৈঠক করছেন নোয়াপাড়া কেন্দ্রের প্রাক্তন বিধায়ক মঞ্জু বসু। যে ছবি ঘিরে জোরাল হয়েছে মঞ্জু দেবীর বিজেপি যোগ এবং নিজের কেন্দ্র নোয়াপাড়ায় পদ্ম প্রতীকে তাঁর প্রার্থী হওয়ার বিষয়টি।

আরও পড়ুন- নোয়াপাড়া উপনির্বাচন: ‘তৃণমূলকে বিজয়ী দেখতে চাইছে সিপিএম’

২০০১ সালে এবং ২০১১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নোয়াপাড়া কেন্দ্র থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের হয়েই জিতেছিলেন মঞ্জু বসু। ২০০১৬ সালে তিনি কংগ্রেস প্রার্থী মধুসূদন ঘোষের কাছে মাত্র ১০৯৫ ভোটে পরাস্ত হয়েছিলেন। বিধায়ক মধুসূদন ঘোষের মৃত্যুর কারণেই ওই কেন্দ্র ফের উপনির্বাচন হচ্ছে।

আরও পড়ুন- নোয়াপাড়ায় অর্জুন সিং-কে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়লেন গৌতম দেব

২০১১ সালে প্রায় ৫০ হাজার ভোটে জেতা মঞ্জু দেবীর হেরে যাওয়ার পিছনে দলীয় কোন্দল ছিল বলে গুঞ্জন ছড়িয়েছিল রাজনীতির অন্দরমহলে। এবং সেই নির্বাচনের পর থেকেই দলের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয় মঞ্জু বসুর। উপনির্বাচনে নোয়াপাড়ায় সুনীল সিং-কে প্রার্থী করেছে তৃণমূল কংগ্রেস।

প্রার্থী সুনীল সিং-এর সমর্থনে বুধবার বিকেলে কর্মীসভা অনুষ্ঠিত হয় পলতায়। সেই সভায় সুব্রত বক্সি, অর্জুন সিং, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের মতো নেতা উপস্থিত থাকলেও ছিলেন না এলাকার প্রাক্তন বিধায়ক মঞ্জু বসু। তাঁর অভিযোগ, “কেউ আমায় কিছু জানায়নি।” উপনির্বাচনের বিষয়ে দলের পক্ষে থেকে তাঁর সঙ্গে কোনও আলোচনা করা হয়নি বলেও অভিযোগ করেছেন মঞ্জু দেবী।

সেই ছবি

বুধবার রাতেই ইছাপুরের গোয়ালাপাড়ায় মঞ্জু বসুর বাড়িতে যান মুকুল রায়। তৃণমূল থেকে সদ্য ফুল বদল করে বিজেপিতে আসা মুকুল বাবুর মঞ্জু দেবীর সঙ্গে সাক্ষাত ঘিরে শুরু হয় জল্পনা। যদিও এই বিষয়ে বিজেপির স্থানীয় এবং রাজ্য স্তরের কোনও নেতা মুখ খোলেননি। মুকুল রায় এবং দিলীপ ঘোষকে এই বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তাঁরা দু’জনেই বলেছেন, “অপেক্ষা করুন, বড় চমক রয়েছে।”

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ