নয়াদিল্লি: অনুর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ফাইনালে তাঁর উইলোয় উঠেছিল ঝড়। ২০১৮ তাঁর ঝকঝকে অপরাজিত শতরানের ইনিংসে ভর করে অনুর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ঘরে তুলেছিল রাহুল দ্রাবিড়ের প্রশিক্ষণাধীন টিম ইন্ডিয়া। সেই বিশ্বকাপ ফাইনালের নায়ক মনজোৎ কালরাকে বয়স ভাঁড়ানোর অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করল দিল্লি ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন। ফলে চলতি বছর রঞ্জি ট্রফিতে তাঁর মাঠে নামার বিষয়ে জারি হল নিষেধাজ্ঞা।

তবে এক্ষেত্রে একই যাত্রায় পৃথক ফল ঘটেছে। যে কারণের জন্য এক বছর নির্বাসনে পাঠানো হল কালরাকে, ঠিক একই কারণে কেবল সতর্ক করে ছেড়ে দেওয়া হল আরেক ক্রিকেটার নীতিশ রানাকে। যদিও বয়স ভাঁড়িয়ে তিনি যে জুনিয়র লেভেলে ক্রিকেট খেলেননি সেব্যাপারে নাইট রাইডার্স ব্যাটসম্যানের থেকে উপযুক্ত নথি চাওয়া হয়েছে ডিডিসিএ’র পক্ষ থেকে। আরেক ক্রিকেটার শিবম মাভির বিষয়টিতে বিসিসিআই’য়ের হস্তক্ষেপ চেয়েছে দিল্লি ক্রিকেট সংস্থা। যেহেতু নাইট পরিবারের সদস্য শিবম সিনিয়র পর্যায়ে এখন উত্তর প্রদেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেন।

দিল্লি ক্রিকেট সংস্থার বিদায়ী অম্বুডসম্যান দুরেজ আহমেদ কালরার বিষয়ে তাঁর মেয়াদকালের শেষদিনে একটি নির্দেশনামা পেশ করে যান। দুরেজের রিপোর্টে পরিষ্কার উল্লেখ করা হয়, অনুর্ধ্ব-১৬ এবং অনুর্ধ্ব-১৯’র হয়ে খেলার সময় বয়স ভাঁড়িয়েছিলেন কালরা। যে কারণে চলতি মরশুমে রঞ্জি ট্রফি থেকে নির্বাসিত করা হল তাঁকে। উল্লেখ্য, বিসিসিআই’য়ের রেকর্ড অনুসারে কালরার বয়স ২০ বছর ৩৫১ দিন। অনুর্ধ্ব-২৩ বাংলার হয়ে সিকে নাইড়ু ট্রফিতে গত সপ্তাহে ৮০ রানের মূল্যবান ইনিংস এসেছিল কালরার ব্যাট থেকে।

আগামিদিনে রঞ্জি ট্রফির ম্যাচগুলোতে জাতীয় দলের ওপেনার শিখর ধাওয়ানের পরিবর্ত হিসেবে ওপেনিংয়ে দিল্লি ইনিংসের হাল ধরার কথা ছিল মনজোতের। কিন্তু তার আগেই শাস্তির কোপ নেমে এল অনুর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ নায়কের জন্য। দিল্লি ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সচিব বিনোদ তিহারার কথায়, ‘আমরা কিছুটা অবাক নীতিশ রানা যে অভিযোগে অভিযুক্ত সেই একই অভিযোগে মনজোৎ কালরার শাস্তির ঘটনায়। তবে যেহেতু অম্বুডসম্যানের নির্দেশ তাই এব্যাপারে আমাদের কিছুই করার নেই।’

ক্লাব ম্যাচ খেলার বিষয়েও কালরার উপর নেমে এসেছে নিষেধাজ্ঞা। নয়া অম্বুডসম্যানের কাছে শাস্তি কমানোর দাবি করতেই পারে সংশ্লিষ্ট ক্রিকেটারের অভিভাবকেরা। কিন্তু ততদিন অবধি রঞ্জিতে খেলার বিষয়ে কালরার উপর বহাল থাকবে নিষেধাজ্ঞা। জানিয়েছেন তিহারা