কলকাতা: বিজেপি নেতা মণীশ শুক্লা হত্যাকাণ্ডে চাঞ্চল্যকর মোড়৷ পঞ্জাব থেকে গ্রেফতার দুই শার্প শ্যুটার। ধৃতদের ট্রানজিট রিমান্ডে এ রাজ্যে আনা হচ্ছে বলে খবর৷

সিআইডি সূত্রে খবর, মণীশ শুক্লা হত্যাকাণ্ডে পঞ্জাবের লুধিয়ানা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে দুই শার্প শ্যুটারকে৷ ধৃতরা বিহারের বাসিন্দা৷ কয়েক দিন আগে পঞ্জাব থেকে একজনকে গ্রেফতার করা হয়৷ তাকে জেরা করে বাকি এই দু’জনের হদিশ মেলে৷

চলতি বছরেরে ৪ অক্টোবর উত্তর ২৪ পরগণার টিটাগড়ে বিজেপি নেতা মণীশ শুক্লাকে খুন করা হয় বলে অভিযোগ৷ ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলের এই দাপুটে নেতাকে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে পরপর গুলি করে দুস্কৃতিরা৷ তাও আবার টিটাগড় থানার ঢিল ছোড়া দূরত্বে বিজেপির পার্টি অফিসের সামনের ঘটনা৷

ঘটনার পর মণীশ শুক্লার খুনের ঘটনায় নাম জড়ায় বারাকপুর ও টিটাগড় পুরসভার দুই পুর প্রশাসকের৷ মৃত মণীশ শুক্লার বাবা চন্দ্রমনি শুক্লা তাঁর ছেলের খুনের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত হিসেবে টিটাগড় পুরসভার প্রশাসক প্রশান্ত চৌধুরী, বারাকপুর পুরসভার পুর প্রশাসক উত্তম দাসের বিরুদ্ধে টিটাগড় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে৷

মণীশ খুনে প্রথম অভিযুক্ত হিসেবে নাম জড়ানো টিটাগড় পুরসভার পুর প্রশাসক প্রশান্ত চৌধুরী বলেছিলেন, “সিআইডি তদন্ত করছে, ওই তদন্তে পূর্ণ আস্থা আছে। রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রে আমাদের তৃণমূল নেতাদের নাম জড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।আমি উত্তম এবং লালন পাসোয়ান এই বারাকপুর টিটাগড় এলাকায় তৃণমূলের সংগঠনকে শক্তিশালী করছিলাম।সেই কারনে ওরা নিজেদের মধ্যে এই খুন করে আমাদের জেলে আটকে রাখতে চাইছে। আমরা ভেতরে থাকলে ওদের বাহুবলী রাজত্ব কায়েম করতে সুবিধা হবে।”

এদিকে তদন্তভার যায় সিআইডি-র হাতে। ওই দু’জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে সিআইডি৷ তবে সিআইডি বারাকপুর আদালতে দাবি করেছে বিহারের জেলে বন্দি কুখ্যাত দুষ্কৃতী সুবোধকান্ত সিংই মণীশ শুক্লা খুনে প্রধান অভিযুক্ত৷ এর পর সিআইডির একটি টিম ভিন রাজ্যে তল্লাশি চালায়৷

দেশে এবং বিদেশের একাধিক সংবাদমাধ্যমে টানা দু'দশক ধরে কাজ করেছেন । বাংলাদেশ থেকে মুখোমুখি নবনীতা চৌধুরী I