ভিজিয়ানগরম: মূলত টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান হলেও টিম ইন্ডিয়ার ট্রাফিক জ্যামে আটকে নাগপুরে লোয়ার অর্ডারে ব্যাট করতে নেমেছিলেন মণীশ পান্ডে। বাংলাদেশ বিরুদ্ধে টি-২০ সিরিজের প্রথম দু’টি ম্যাচে মাঠে নামার সুযোগ পাননি। সিরিজের নির্ণায়ক টি-২০’তে ক্রুণাল পান্ডিয়ার পরিবর্তে অতিরিক্ত ব্যাটসম্যান হিসাবে মাণীশ পান্ডেকে খেলানোর সিদ্ধান্ত নেয় ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। কোচ-ক্যাপ্টেনের আস্থার যথাযথ মর্যাদা রাখেন মণীশ। জামথায় ন্যূনতম সুযোগেই নিজের ছাপ রাখেন কর্ণাটকী তারকা। ৬ নম্বরে ব্যাট করতে নেমে ১৩ বলে ২২ রানের কার্যকরী যোগদানের রাখেন দলের ইনিংসে।

ঘরোয়া ক্রিকেটে এমনিতেই অত্যন্ত ধারাবাহিক মাণীশ। আন্তর্জাতিক মঞ্চে আরও একবার আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে আসার পর মুস্তাক আলি টি-২০’তে ধ্বংসাত্মক রূপে ধরা দিলেন কর্ণাটক দলনায়ক। সার্ভিসেসের বিরুদ্ধে দুরন্ত শতরান করলেন তিনি। তিন নম্বরে ব্যাট করতে নেমে পান্ডে মাত্র ৪৪ বলে ব্যক্তিগত শতরান পূর্ণ করেন। শেষমেষ ১২টি চার ও ১০টি ছক্কার সাহায্যে ৫৪ বলে ১২৯ রান করে অপরাজিত থেকে যান তিনি।

মণীশ পান্ডের অনবদ্য শতরানের সুবাদেই কর্ণাটক প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৩ উইকেটের বিনিময়ে ২৫০ রানের বিশাল ইনিংস গড়ে তোলে। পান্ডের সেঞ্চুরি ছাড়া ৪৩ বলে ৭৫ রানের অনবদ্য যোগদান রাখেন দেবদূত পাডিক্কাল। তিনি ৮টি চার ও ৪টি ছক্কা মারেন।

ভারতের মাটিতে যে কোনও ধরনের টি-২০ ম্যাচে সব থেকে বড় দলগত ইনিংসের তালিকায় কর্ণাটকের এদিনের ইনিংস স্থান করে নেয় ৬ নম্বরে। মুস্তাক আলি টি-২০’তে এটি তৃতীয় সর্বোচ্চ ইনিংস হলেও আগের দু’টি ক্ষেত্রে মুম্বই (২৫৮) ও অন্ধ্রপ্রদেশ (২৫২) রান করে প্লেট গ্রুপের যথাক্রমে সিকিম ও মণিপুরের বিরুদ্ধে। প্লেট গ্রুপের বাইরের কোনও প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে এটিই এখনও পর্যন্ত মুস্তাক আলি টি-২০’র সর্বোচ্চ দলগত ইনিংস।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে সার্ভিসেস ২০ ওভারে ৭ উইকেটে বিনিময় ১৭০ রান তোলে। ৮০ রানের বিশাল ব্যবধানে ম্যাচ জিতে যায় কর্ণাটক। শ্রেয়স গোপাল ৪ ওভারে ১৯ রানের বিনিময়ে ৫টি উইকেট দখল করেন ।