মুম্বই: অভিনেতা সুমিত ভ্যস এবং ডিজাইনার মনিষ মালহোত্রা গতকাল জানিয়েছেন তারা কোভিড পজিটিভ। মুম্বাইয়ে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ ধীরে ধীরে এক অন্য রূপ গ্রহণ করেছে। একে একে বি টাউন করোনায় কাবু হচ্ছে। সেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্যেই মহারাষ্ট্র সরকার ১ মে অবধি জারি করেছে ১৪৪ ধারা। এই ধারায় সকাল ৭টা থেকে রাত ৮টা অবধি কোন জায়গায় একসঙ্গে ৫ জনের বেশি কেউ জটলা করতে পারবে না। এই ধারা জারি হওয়ার ফলে বন্ধ হয়েছে বি টাউনে শুটিং।

শুক্রবার রাতে সুমিত এবং মনিষ দুজনই সোশ্যাল মিডিয়ায় জানিয়েছেন তারা কোভিড পজিটিভ। এখন তারা হোম কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন বলেও জানিয়েছেন। ওটিটি স্টার সুমিত এদিন ইনস্টাগ্রামে লিখেছেন, ‘আমার করোনা রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। এখন আমি নিজেকে হোম কোয়ারেন্টিনে রেখে সকল সতর্কতাবিধি পালন করছি এবং চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ গ্রহণ করছি। যদিও আমার খুব সামান্য কিছু সিমটম আছে তাও আমি অনুরোধ করব বিগত কিছু দিনে যারা আমার কাছাকাছি এসেছিলেন তারা অবশ্যই নিজের কোভিড টেস্ট করিয়ে নেন।’ তার ইন্ডাস্টির বন্ধুরা যেমন সুনীল গ্রভার, সাকিব সালেম প্রমুখরা তার শীঘ্রই আরোগ্যের কামনা করেছেন।

বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় ডিজাইনার মনিষ মালহোত্রাও এদিন রাতে তার ইনস্টাগ্রামে পোষ্ট করে লিখেছেন, ‘আমি কোভিড পজিটিভ হয়েছি। এই খবর জানার সঙ্গে সঙ্গেই নিজেকে হোম কোয়ারেন্টিনে আইসলেট রেখেছি। চিকিৎসকদের সব নির্দেশ মেনে চলছি। সবাই ভাল থাকুন, সুস্থ থাকুন।’ অভিনেত্রী ভুমি পেদনেকর, ভানি কাপুর, হুমা খুরেশি প্রমুখ সেলেবরা তার দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন। প্রসঙ্গত, এই মাসের শুরুতে ভুমিও করোনা আক্রান্ত হয়েছেন।

দূরদর্শনের একটি সিরিয়ালে ছোট রোল দিয়ে সুমিতের অভিনয় যাত্রা শুরু হয়েছিল। তারপর বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলে তিনি সিরিয়াল করেছেন। ২০০৯ সালে ‘যশন’ ছবি দিয়ে তার বলিউড ডেবিউ হয়েছিল। ‘ভিরে দি ওয়েডিং’, ‘লাভ পার স্কোয়ার ফুট’ ইত্যাদি নানা ছবিতে কাজ করেছেন সুমিত। এছাড়া ওটিটি প্লাটফর্মেও বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন তিনি। ‘ট্রিপলিং’ ‘পার্মানেন্ট রুমমেটস’ ছাড়াও আরও বেশ কিছু ওয়েব সিরিজে কাজ করেছেন তিনি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.