আগরতলা: দলীয় অন্তর্ঘাতের শিকার হয়ে দিশেহারা মুখ্যমন্ত্রী। বিজেপির অভ্যন্তরে চলছে আলোড়ন। বামেদের এমন অভিযোগের পাশাপাশি এবার সরব কংগ্রেস। ত্রিপুরা প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি পীযুষ বিশ্বাসের বিস্ফোরক দাবি সরকারটা যে কোনও সময় পড়ে যাবে। এমনই অবস্থা।

আগরতলায় প্রদেশ কংগ্রেস ভবনে সাংবাদিকদের পীযুষবাবু বলেন, একের পর এক বিধায়ক বিজেপি ছাড়তে তৈরি। যে কোনও দিন সরকারের পতন হতে পারে। অন্যদিকে শাসক বিজেপির একগুচ্ছ মন্ত্রী ও বিধায়ক ক্ষোভ উগরেই চলেছেন।

প্রাক্তন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সুদীপ রায় বর্মণের নেতৃত্বে এই বিধায়করা দিল্লিতে গিয়ে বিজেপি সর্বভারতীয় নেতৃত্বের কাছে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে রাশিরাশি অভিযোগ করে এসেছেন। দল ও সরকারকে নড়বড়ে করার পিছনে বিপ্লববাবু সেটি প্রকাশ্যে জানাচ্ছেন বিজেপিরই বিধায়করা।

তাঁদের দাবি, এমন চললে ভবিষ্যতে বিজেপির অস্তিত্ব বিলীন হবে রাজ্যে। বিরোধী দল সিপিআইএম সহ বিভিন্ন বাম দল ও সংগঠনের ডাকা দেশজোড়া ধর্মঘটের বিরাট প্রভাব দেখা গিয়েছে রাজ্যে।

বৃহস্পতিবার ধর্মঘট চলাকালীন বিজেপি কর্মীরা বেশরয়েকটি বাম সংগঠনের কার্যালয়ে হামলা চালায়। এর পাশাপাশি সিসিটিভি তে ধরা পড়ে আগরতলার একটি হোটেলে ঢুকে রিভলভার ও তলোয়ার সহ বনধ বিরোধীদের হামলার ছবি।

ছবি দেখে অনেকেই হামলাকারীদের বিজেপি সমর্থক হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব। ধর্মঘটে বিক্ষিপ্ত হিংসার জেরে ক্ষুব্ধ বিরোধী নেতা ও প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার। তিনিও সরকারের কড়া সমালোচনা করেছেন।

মানিকবাবুর দাবি, বিজেপি জনসমর্থন দ্রুত হারাচ্ছে। ধর্মঘটের ব্যাপকতা থেকেই বোঝা যায় সরকারের ভিত নড়ে গিয়েছে। হামলার তীব্র নিন্দা করেছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। বিধানসভার প্রাক্তন ডেপুটি স্পিকার পবিত্র করের দাবি, যেভাবে বিজেপি ভয় পেয়ে হামলার পথ নিয়েছে, তাতেই স্পষ্ট বিজেপির পতন আসন্ন।

মুখ্যমন্ত্রীকে চুনোপুঁটি বলেই কটাক্ষ করেছেন প্রাক্তন ডেপুটি স্পিকার। প্রশ্ন উঠছে, উপজাতি সংগঠনের ডাকা অবরোধ, হরতাল রুখতে সরকার সক্রিয় হয়নি।

বিরোধীদের বনধ বানচাল করতেই হামলার পথ নিয়েছে বিজেপি। ধর্মঘটের প্রভাবে রাজ্য ছিল প্রায় অচল। যে সব এলাকায় বিজেপির বিধায়করা আছেন সেখানেও ধর্মঘটের বিরাট প্রভাব পড়েছে। এমনই দাবি রাজ্য বামফ্রন্টের।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।