আগরতলা: খাতায় কলমে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির শতবর্ষ পূর্তি হচ্ছে। ১৯২০ সালের ১৭ অক্টোবর পূর্বতন সোভিয়েত ইউনিয়নের তাশখন্দে প্রতিষ্ঠা হয়। দিনটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরে সিপিআইএম পলিটব্যুরো সদস্য মানিক সরকারের আহ্বান, ‘পার্টিকে ভরা যৌবন মেইনটেন করতে হবে।’

আগরতলা টাউন হলে আয়োজিত আলোচনা সভায় ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার বলেন, গণ আন্দোলনে শ্রেষ্ঠত্বের ভূমিকা রাখছে এমন তরুন যুব দের বাছাই করে পার্টিতে আনতে হবে।

কারণ, পার্টিতে একটা অংশের বয়স বাড়ছে। একটা সময় গিয়ে আকাঙ্খা থাকলেও তারা নিজেদের টানতে পারবেন না প্রাকৃতিক নিয়মেই। তাদের জায়গা ছাড়তে হবে।

মানিকবাবু বলেন, মৃত্যুর আগে পর্যন্ত আমাকে জায়গা দখল করে বসে থাকতে হবে এটাও অনুমতি কাম্য নয়। ত্রিপুরা সহ বিভিন্ন রাজ্যে সিপিআইএম ও কমিউনিস্ট নেতৃত্বের বড় অংশই প্রবীণ। বারবার দাবি উঠছে, নতুন যুব প্রজন্মের হাতে নেতৃত্ব তুলে দেওয়ার।

প্রবীণ সিপিআইএম নেতা ও চারবারের টানা মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারের যুক্তি, নতুন প্রজন্মকে জায়গা না ছাড়লে সংগঠনে স্থবিরতা আসবে। গত বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে টানা ২৫ বছরের বাম শাসন শেষ হয়। ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি ও আইপিএফটি জোট সরকার।

নির্বাচনে ফল ঘোষণার দিন থেকে সন্ত্রাস শুরু হয়েছে এই অভিযোগ করে মানিকবাবু বলেন, গণসংগঠন দিয়েই মোকাবিলা করতে হবে। দলীয় নেতৃত্বের যুবক যুবতী ছাত্র ছাত্রীদের ভূমিকায় জোর দিয়েছেন তিনি।

অনুষ্ঠানে ভারতের কমিউনিস্ট আন্দোলনের শতবর্ষ পর্যালোচনা করতে গিয়ে তিনি বলেন, গৌরবজ্জ্বল ইতিহাস কে নিয়েই ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। এর জন্য তরুণ প্রজন্মকেই জায়গা ছাড়তে হবেই।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.