ইসলামপুর : লকডাউনের জেরে জেলার কৃষিনির্ভর অর্থনীতিতে আগেই ধস নেমেছে। এবার ঝড়-বৃষ্টি হওয়ায় ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন আম ও লিচু চাষিরা। বেশি প্রভাব পড়েছে উত্তর দিনাজপুরে।

এবার জেলায় রেকর্ড পরিমাণে সূর্য্যাপুরি আম ধরেছিল। সূর্য্যাপুরি আম-লিচুর হাত ধরে হাল কিছুটা হলেও ফিরবে বলে আশা করেছিলেন এলাকার চাষিরা। এই জেলার সূর্য্যাপুরি আমের ভালো বাজার রয়েছে উত্তরবঙ্গের পাশাপাশি বিহার ও নেপালেও। কিন্তু দফায় দফায় ঝড়ের ফলে আম ও লিচু চাষে প্রভাব পড়ায়, চিন্তা বেড়েছে চাষি থেকে শুরু করে ফল ব্যবসায়ীদের মধ্যেও। জেলা উদ্যান পালন দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, উত্তর দিনাজপুর জেলায় ২,৪১০ হাজার হেক্টর জমিতে আমের বাগান রয়েছে। তারমধ্যে অধিকাংশই রয়েছে সূর্য্যাপুরি আম বাগান। এছাড়া জেলায় প্রায় ১ হেক্টর জমিতে লিচুর বাগান রয়েছে। এই বছর আম ও লিচুর ফলন ভালো হলেও কয়েক দফার ঝড়ে তা ক্ষতি হয়েছিল।

উত্তর দিনাজপুর জেলার আম ও লিচু চাষিরা জানিয়েছেন, এবছর মুকুল ধরার সময় থেকে একাধিকবার ঝড়-বৃষ্টিতে আম-লিচু চাষে ক্ষতি হয়েছে। তার উপর লকডাউনের বাজারে লিচুর দাম গত বছরের অর্ধেক হয়ে গিয়েছে। ঘূর্ণিঝড় ‘আমফান’-এ উত্তর দিনাজপুর জেলায় সেভাবে ক্ষতি না হলেও, তারপর থেকে প্রায় প্রতিদিনই ঝড় বৃষ্টি লেগে রয়েছে। তার জেরে আম, লিচু গাছ থেকে ঝড়ে পড়েছে। ভেঙে পড়েছে আম-লিচুর গাছও।

জানা গিয়েছে, লাগাতার ঝড়ে তিন ভাগের একভাগ লিচু ঝরে পড়েছে। চাষিরা অনেকেই জানাচ্ছেন গত বছরে তারা বিহার ও নেপালে প্রচুর সূর্য্যাপুরি আম পাঠিয়েছিলেন। দামও ভালো পাওয়া গিয়েছিল। এবার আমে গুটি আসার পর থেকে লাগাতার ঝড়- বৃষ্টির কবলে পড়লেও গাছে রেকর্ড পরিমাণে ছিল। কিন্ত আমফান ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব এখানে না পড়লেও তার পর থেকে প্রায় প্রতিদিন ঝড়-বৃষ্টি হচ্ছে। বাগানের প্রায় ২৫-৩০ শতাংশ আম ঝড়ে পড়ে গিয়েছে। করোনা থাকায় এবার হয়তো বিহার–নেপালে আম পাঠানো বন্ধ। তার উপর প্রকৃতির খামখেয়ালিপনা। নাজেহাল জেলার আম লিচু চাষিরা। প্রশাসন এই বিষয়ে খবর নিচ্ছে বলে জানা যাচ্ছে

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.