মুম্বই: বিগত কয়েক দিন ধরে আসন্ন ছবি কোকাকোলার শুটিং করছিলেন অভিনেত্রী মন্দনা করিমি। আর শুটিং শেষ হতেই বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন তিনি। মন্দনার অভিযোগ শুটিংয়ের শেষ দিনে তার সঙ্গে অত্যন্ত অভব্য আচরণ করেছেন ছবির প্রযোজক মহেন্দ্র ধারিওয়াল। তবে মন্দনাকেও পাল্টা বিঁধেছেন প্রযোজক।

প্রযোজকের দাবি, মন্দনা অপেশাদার আচরণ করেছেন ছবির শুটিংয়ের সময়। বিগ বস খ্যাত এই অভিনেত্রী একাধিকবার সংবাদমাধ্যমের কাছে বলেছেন যে তিনি একার জোরে মুম্বইতে রয়েছেন। তিনি একাই থাকেন। এবং এই ইন্ডাস্ট্রিতে তার কোন গডফাদার নেই। মন্দনা কেয়া কুল হ্যায় হাম এবং ভাগ জনি ছবিতে অভিনয় করে জনপ্রিয় হয়েছেন।

সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে জানা যাচ্ছে, দীপাবলীর আগের দিন কোকাকোলা ছবির শুটিং প্রায় শেষ হয়ে এসেছিল। সেদিনের সম্পর্কে মন্দনা বলছেন, “যা হয়েছে এবং যেভাবে হয়েছে সেটার বিষয়ে আমি এখনো আতঙ্কে রয়েছি। কোকাকোলা এমন একটি ছবির শুটিং আমরা গত এক বছর ধরে করছি। টিমের অনেকেই অপেশাদার জেনেও ছবির কাজ করছি। কিছু কাজ আমরা শুধুমাত্র বহমান থাকার জন্য করি। শুরু থেকেই এই ছবির কলাকুশলীদের সঙ্গে আমার সমস্যা ছিল। এই ছবির প্রযোজক (মহেন্দ্র ধারিওয়াল) একজন ওল্ড স্কুল ব্যক্তি, যিনি পুরো ছবির সেটে নিজের দাপট দেখান। তবে বহু জায়গায় একজন ব্যক্তির ইগোর উপরেই কাজ চলে। কিন্তু ১৩ নভেম্বর যা ঘটেছিল তা আমাকে রীতিমতো চমকে দিয়েছে।”

মন্দনা জানান ছবির শুটিং শেষ হওয়ার পরেও অতিরিক্ত এক ঘন্টা তাঁকে সেটে থাকতে বলেছিলেন প্রযোজক। কিন্তু ছবির শুটিং শেষ হওয়ার পরে পোশাক বদলানোর জন্য নিজের ভ্যানিটি ভ্যানে গিয়েছিলেন অভিনেত্রী। তখন নাকি জোর করে সেখানে প্রবেশ করেন প্রযোজক এবং চেঁচাতে থাকেন। বন্দনার কথা অনুযায়ী তিনি তখন বলছিলেন, “তুমি এখন বেরিয়ে যেতে পারো না। আমি তোমায় অতিরিক্ত এক ঘন্টা কাজ করতে বলেছি এবং তোমায় সেটা শুনতে হবে। কারণ আমি হলাম প্রযোজক আর আমি তোমায় তার জন্য অর্থ দিয়েছি।”

উল্টোদিকে প্রযোজক বলছেন, “মহামারী শুরু হওয়ার আগেই আমরা কোকাকোলা ছবির শুটিং করছিলাম মন্দনা করিমি সানি লিওনের সঙ্গে। লকডাউন এর জন্য এরপর শুটিং থমকে যায়। আমরা ছবির জন্য মন্দনাকে ৭ লক্ষ্য টাকা দিয়েছিলাম। কিন্তু ছবির কাজ শুরু হওয়ার পরই ওর নানা রকমের নাটক শুরু হয়। যেমন আমরা যখন দিল্লিতে শুটিং করছিলাম, ওকে ওকে একদিন থাকতে হয়। তার জন্য ও ২ লক্ষ্য টাকা চেয়েছিল। লকডাউন এর পরে আমরা যখন আবার শুটিং শুরু করি এবং ওর কাছে ডেট চাইতে যাই ও বলে যে ও এখন ব্যস্ত। এই নতুনদের জন্য আবার ও ২ লক্ষ টাকা চায়। ওর ইচ্ছা অনুযায়ী অগ্রিম টাকা দেওয়া হয়।”

প্রযোজকের আরও অভিযোগ, নির্দিষ্ট সময়ের আগে শেষ দিন শুটিং থেকে বেরিয়ে যেতে চাইছিলেন মন্দনা। কিন্তু তখনও তার বেশ কিছু দৃশ্যেও অভিনয় বাকি ছিল। শেষমেষ নাকি অভিনেত্রী কে থামাতে তার পিছনে দৌড়াতে হয় প্রযোজককে। শুটিং সেট থেকে যখন বেরিয়ে যাচ্ছিলেন তখন প্রযোজক রেগে যান এবং চেঁচাতে শুরু করেন। কিন্তু তিনি নিজে ভ্যানিটি ভ্যানে প্রবেশ করেননি বলে দাবি করেছেন প্রযোজক। শেষ পর্যন্ত কোথাকার জল কোথায় গড়ায় তা সময়ই বলতে পারবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।