লন্ডন: মরশুম শেষের পর ভিনদেশে ছুটি কাটাতে গিয়ে গ্রেফতার হলেন ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড অধিনায়ক হ্যারি ম্যাগুয়ার। খবরে প্রকাশ, গ্রিসে ছুটি কাটাতে গিয়ে সেখানকার মাইকোনস দ্বীপে একটি পানশালার বাইরে পুলিশের সঙ্গে বচসা হয় তাঁর। এরপর ম্যান ইউ ডিফেন্ডারকে গ্রেফতার করে স্থানীয় পুলিশ।

ম্যাগুয়ারের ক্লাব এক বিবৃতি প্রকাশ করে জানিয়েছে, তাঁদের ফুটবলার স্থানীয় প্রশাসনকে সহযোগীতা করছে। ম্যাঞ্চেস্টারের ক্লাবটির তরফ থেকে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘গত রাতে মাইকোনসে ম্যাগুয়ার যে কান্ড ঘটিয়েছেন ক্লাব সে সম্পর্কে সচেতন রয়েছে। ক্লাবের তরফ থেকে হ্যারির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে সে জানিয়েছে প্রশাসনের সঙ্গে সে সবরকমের সহযোগীতা করছে। এর থেকে বেশি এই মুহূর্তে আমরা কিছু জানাতে চাই না।’

সাইরসের (মাইকোনস দ্বীপের রাজধানী) স্থানীয় পুলিশ অফিসার জানিয়েছেন ঘটনায় তিনজন ব্রিটিশ নাগরিক গ্রেফতার হয়েছেন, যাদের মধ্যে একজন ব্রিটিশ ফুটবল ক্লাবের প্লেয়ার। কিন্তু সেই প্লেয়ার যে ম্যাগুয়ার সেব্যাপারে নিশ্চিত কিছুই জানায়নি স্থানীয় পুলিশ। তিনি আরও বলেন ব্রিটেনের ওই নাগরিকদের সঙ্গে বচসায় মাইকোনসের চার জন পুলিশ অফিসার আঘাত পেয়েছেন। পাশাপাশি গ্রেফতার হওয়া প্রত্যেকেই পুলিশকে গালিগালাজ এবং হুমকি করেছেন বলেও অভিযোগ।

গ্রিক স্টেট এজেন্সি জানিয়েছে সেখানে এক পানশালার বাইরে দুই ব্রিটিশ দলের মধ্যে সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছিল মাইকোনস পুলিশ। ওই এজেন্সির তরফ থেকেই ম্যাগুয়ারকে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। অভিযুক্তদের পুলিশের গাড়ি অনুসরন করে পুলিশ স্টেশনে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হলে অভিযুক্তরা পালানোর চেষ্টা করে বলেও অভিযোগ। শুক্রবারই অভিযুক্তদের আদালতে তোলার কথা ছিল বলে রিপোর্টে প্রকাশ।

উল্লেখ্য, গত ১৭ অগস্ট ইউরোপা লিগের সেমিফাইনালে সেভিয়ার কাছে হেরে ছিটকে গিয়েছে ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড। এই নিয়ে মরশুমে তিনটি প্রতিযোগীতার সেমিতে দৌড় শেষ হয়েছে লাল ম্যাঞ্চেস্টারের। একইসঙ্গে ৩১ বছরে সবচেয়ে দীর্ঘ ট্রফি খরার সম্মুখীন হয়েছে ম্যান ইউ। ইউরোপা লিগের সেমিতে হারের সঙ্গে সঙ্গে মরশুমও শেষ হয়েছে ম্যাঞ্চেস্টারের ক্লাবটির। এরপরই হলিডে কাটাতে গ্রীসে গিয়েছেন অধিনায়ক ম্যাগুয়ার।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।