লন্ডন: ইংলিশ প্রিমিয়র লিগে রবিবার রাতে হাইভোল্টেজ ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল দুই হেভিওয়েট চেলসি ও ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড। স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে ম্যাচ গোলশূন্যভাবে শেষ হয়৷ ২৪ অক্টোবর মরশুমের প্রথম সাক্ষাতেও গোলশূন্য ড্র করেছিল ম্যান ইউ ও চেলসি৷ ইংলিশ প্রিমিয়র লিগে ঠিক ৯৯ বছর আগে এমন ঘটনা ঘটেছিল। অর্থাৎ ৯৯ বছর পর প্রিমিয়র লিগে বিরল রেকর্ডের সাক্ষী থাকল অন্যতম সেরা দু’টি দল৷

ম্যাচে খুব বেশি সুযোগ তৈরি করতে পারেনি কোনও দল। ফলে কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা মেলেনি। সুতরাং ফের অমীমাংসিতভাবে শেষ হল চেলসি ও ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের লড়াই। চলতি মরশুমে ম্যান ইউ আরও একটি রেকর্ড গড়েছে। চেলসি, লিভারপুল, আর্সেনাল, ম্যাঞ্চেস্টার সিটি ও টটেনহামের বিরুদ্ধে শেষ ছ’বারের সাক্ষাতে ড্র দিয়ে মাঠ ছাড়ল ‘রেড ডেভিলস’৷

টানা ২০টি অ্যাওয়ে ম্যাচে অপরাজিত ম্যান ইউ। যার মধ্যে ১৩টি জয় এবং ৬টি ড্র। ইপিএলে টানা ম্যাচে অপরাজিত থাকার রেকর্ডে পঞ্চম স্থানে রয়েছে রেড ডেভিলস। সর্বাধিক ২৭টি ম্যাচে অপরাজিত থাকার রেকর্ড অবশ্য আর্সেনালের দখলে। ২৩ ম্যাচ অপরাজিত থেকে দ্বিতীয় স্থানও গানারদের দখলে। এছাড়া লিভারপুল ২১ ও নাটিংহাম ফরেস্ট টানা ২০ ম্যাচ অপরাজিত ছিল।

এই ড্র-এর ফলে ২৬ ম্যাচে ৫০ পয়েন্ট নিয়ে দু’ নম্বরে রয়েছে ম্যানঞ্চেস্টার ইউনাইটেড। সমসংখ্যক ম্যাচে ৪৪ পয়েন্ট নিয়ে পাঁচ নম্বরে রয়েছে চেলসি। ২৬ ম্যাচে ৬২ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রয়েছে ম্যানঞ্চেস্টার সিটি।

রবিবার স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে ম্যাচের প্রথমার্ধে কোনও দলই প্রতিপক্ষের গোলরক্ষকের পরীক্ষা নিতে পারেনি। চতুর্দশ মিনিটে নিজেদের ডি-বক্সে চেলসির ক্যালাম হাডসন-ওডোইয়ের হাতে বল লাগলে উত্তেজনা ছড়ায়। ভিএআর-এর সাহায্য নিয়ে পেনাল্টি দেননি রেফারি। ৩৭ মিনিটে হাডসন-ওডোইয়ের ক্রসে ডাইভিং হেডের চেষ্টা করেন জিরুদ, কিন্তু বলে মাথা ছোঁয়াতে পারেননি।

দ্বিতীয়ার্ধের তৃতীয় মিনিটে এগিয়ে যেতে পারত চেলসি। বাঁ-দিক দিয়ে আক্রমণে উঠে বেন চিলওয়েলের পাস ডি-বক্সে পেয়ে যান জিয়াশ। মরক্কোর এই মিড-ফিল্ডারের দারুণ শট দক্ষতায় ফিরিয়ে দেন দাভিদ হেয়া। ৬১ মিনিটে দারুণ সুযোগ পেয়েছিল ম্যান ইউ৷ অ্যারন ওয়ান-বিসাকার পাসে স্কট ম্যাকটমিনের শট অল্পের জন্য লক্ষ্যে থাকেনি। বাকি সময়ে দুই দলই গোলের কোনও সুযোগ তৈরি করতে পারেনি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.