লন্ডন: স্পনসরশিপ রেভিনিউ নিয়ে আর্থিক স্বচ্ছতার নিয়ম লঙ্ঘন করায় আগামী দু’মরশুমের জন্য ম্যাঞ্চেস্টার সিটিকে ব্যান করেছিল উয়েফা। অর্থাৎ, আগামী ২০২২-২৩ মরশুম অবধি ইউরোপিয়ান কোনও প্রতিযোগীতায় ম্যাঞ্চেস্টার সিটির অংশগ্রহণে নিষেধাজ্ঞা জারি করে ইউরোপিয়ান ফুটবলের গভর্নিং বডি। গত ফেব্রুয়ারিতে রিয়াল মাদ্রিদের বিরুদ্ধে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে নামার আগে এই ঘটনায় আকাশ ভেঙে পড়েছিল ম্যান সিটি সমর্থকদের মাথায়।

তবে এই শাস্তির বিরুদ্ধে আদালতে যাওয়ার সুযোগ খোলা ছিল সিটির কাছে। কোর্ট অফ আরবিট্রেশন ফর স্পোর্টসের কাছে এই শাস্তির পরিপ্রেক্ষিতে আবেদনও করেছিল ম্যাঞ্চেস্টারের ক্লাবটি। সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ৮-১০ জুন শুনানি হয় অনলাইনে। লিখিত রায় তৈরি করে প্রকাশিত করার জন্য এক মাস সময় চেয়ে নেওয়া হয়েছিল আগেই। আগামী সোমবার সেই শুনানির রায় জানাবে কোর্ট অফ আরবিট্রেশন ফর স্পোর্টস। আপাতত সোমবার সেই রায়ের দিকেই তাকিয়ে স্কাই ব্লুজ সমর্থকেরা।

বিগত বেশ কয়েক বছর ধরে আবু ধাবির রয়্যাল পরিবারের মালিকানাধীন ইংল্যান্ডের এই ক্লাবের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল নিয়ম লঙ্ঘনের। ২০১৮ নভেম্বরে জার্মানির এক ম্যাগাজিনে সেই সংক্রান্ত ক্লাবের ই-মেল ও বিভিন্ন নথি প্রকাশিত হওয়ায় নড়েচড়ে বসে উয়েফা। পর্তুগালের একটি হ্যাকার গ্রুপ এব্যাপারে ওই ম্যাগাজিনটিকে সহযোগীতা করেছিল বলে জানা যায়। বিশেষজ্ঞ কমিটি গড়ে তদন্ত শুরু করে উয়েফা। তদন্তের নির্যাস হিসেবে আগামী দু’মরশুম ম্যান সিটিকে ইউরোপিয়ান সমস্ত প্রতিযোগীতা থেকে ব্যান করার সিদ্ধান্ত নেয়।

শুধুমাত্র নির্বাসনই নয়, একইসঙ্গে ৩৩ মিলিয়ন ডলার জরিমানাও করা হয় ম্যাঞ্চেস্টারের ক্লাবটিকে। উয়েফা ক্লাব লাইসেন্সিং’য়ের নিয়ম লঙ্ঘন করার পাশাপাশি আর্থিক স্বচ্ছতার নিয়মও লঙ্ঘন করে ম্যান সিটি। অ্যাডজুডিসিয়ারি চেম্বারে আর্থিক স্বচ্ছতা নিয়ে ওঠা অভিযোগের ভিত্তিতে সমস্ত প্রমাণ খতিয়ে দেখে সিটিকে শাস্তির নিদান দেয় উয়েফা। যদিও উয়েফার এমন শাস্তির রায়ে এতটুকু বিস্মিত দেখায়নি সিটিকে। তদন্তে পূর্ণ সহযোগীতা করা হয়েছিল বলে ক্লাবের তরফ থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছিল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।