ম্যাঞ্চেস্টার: চ্যাম্পিয়নশিপ নির্ধারিত হয়ে গিয়েছে আগেই। তাই ম্যাচটা কার্যত নিয়মরক্ষারই ছিল বলা চলে। তবু ৩০ বছর পর সদ্য চ্যাম্পিয়নের শিরোপা মাথায় তোলা লিভারপুলের সঙ্গে গতবারের চ্যাম্পিয়নদের লড়াই দেখার জন্য বেশ উৎসুক ছিলেন ফুটবল প্রেমীরা। কিন্তু চ্যাম্পিয়ন হওয়ার ঠিক পরের ম্যাচেই লিভারপুল যে এমন মুখ থুবড়ে পড়বে তা হয়তো ভাবেননি অতি বড় ম্যাঞ্চেস্টার সিটি সমর্থকও। কিন্তু আদতে ঘটল সেটাই।

২০১৭ সেপ্টেম্বরের পর প্রিমিয়র লিগে বৃহস্পতিবার সবচেয়ে বড় ব্যবধানে হারল লিভারপুল। ইতিহাদে রেডস’দের ৪-০ গলে চূর্ণ করল গুয়ার্দিওলার ছেলেরা। তিনবছর আগে এই সিটির কাছেই ইতিহাদে ০-৫ গোলে পর্যুদস্ত হতে হয়েছিল লিভারপুলকে। চলতি লিগে এটি ক্লপের দলের দ্বিতীয় হার। একপেশে ম্যাচে এদিন স্কাই ব্লুজ’দের হয়ে গোলগুলি করলেন কেভিন দি ব্রুয়েনা, রহিম স্টার্লিং, ফিল ফডেন এবং শেষেরটি অক্সলেড চেম্বারলেনের আত্মঘাতী।

ঘোষণামতো এদিন ইতিহাদে ম্যাচ শুরুর আগে লিভারপুল ফুটবলারদের গার্ড অফ অনার দেন সিটি ফুটবলাররা। কিন্তু এরপরই ঘরের মাঠে ধ্বংসাত্মক ফুটবলে ক্লপের দলকে কোণঠাসা করে তোলে গতবারের চ্যাম্পিয়নরা। সালাহর বাঁ-পায়ের শট পোস্টে লেগে প্রতিহত হতেই খারাপ ইঙ্গিতটা পাওয়া গিয়েছিল। এরপর ২৫ মিনিটে বক্সে স্টার্লিংকে ফাউল করে সিটিকে পেনাল্টি উপহার দেন গোমেজ। স্পটকিক থেকে গোল করে লিভারপুলের কফিনে এদিন প্রথম পেরেকটি পোঁতেন দি ব্রুয়েনা। ১০ মিনিট বাদে প্রতি-আক্রমণ থেকে দ্বিতীয় গোল স্টার্লিংয়ের। ফডেনের পাস ধরে ঠান্ডা মাথায় জালে রাখেন ইংলিশ স্ট্রাইকার।

৪৫ মিনিটে ফডেনের গোলটি সিটির দুরন্ত টিমগেমের ফসল। এক্ষেত্রে লিভারপুল গোলরক্ষকের আউটিংকে কিয়দংশে দায়ী করা যায়। বিরতির আগে তৃতীয় গোলে ম্যাচ কার্যত মুঠোয় ভরে নেয় ম্যান সিটি। ফডেনের গোলের সঙ্গে মুষ্ঠিবদ্ধ হাত আকাশের দিকে ছুঁড়ে দিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতে দেখা যায় সিটি ম্যানেজারকে। দ্বিতীয়ার্ধে তিন গোলের ধাক্কা সামলে ম্যাচে ফিরতে পারেনি লিভারপুল। বরং ৬৬ মিনিটে চেম্বারলেনের ভুলে চতুর্থ গোল হজম করে বসে তারা। সিটির প্রতি-আক্রমণ ফের একবার টলে যায় লিভারপুল রক্ষণ। স্টার্লিং’য়ের গোলমুখী শট বাঁচাতে গিয়ে তা গোলে ঠেলে দেন চেম্বারলেন।

লিভারপুলের এই হারের পিছনে অনেকে মোটিভেশনের অভাবকে দায়ী করছেন। তবে দলের ছেলেদের আড়াল করেছেন ক্লপ। তাঁর কথায়, ‘ছেলেদের মেজাজ একদম ঠিক ছিল।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.