ম্যাঞ্চেস্টার: লিগ শীর্ষে ওঠার হাতছানিতে জ্বলে উঠল ম্যাঞ্চেস্টার সিটি৷ ওয়েস্ট ব্রমের জালে গোলের বন্যা করে লক্ষ্যে পৌঁছল পেপ গুয়ার্দিওলার দল। মঙ্গলবার রাতে প্রতিপক্ষের মাঠে ইলকাই গিনদোগানের জোড়া গোলে ওয়েস্ট ব্রুমকে ৫-০ হারায় ম্যান সিটি।

ম্যাচের ৯০ মিনিট গুয়ার্দিওলার ছেলেরা যে ফুটবল উপহার দিয়েছে, তা মরশুমে যে কোনও দলের সেরা পারফরম্যান্স৷ আগের ছয় রাউন্ডে জয়ী সিটি ম্যাচের চতুর্থ মিনিটেই এগিয়ে যেতে পারত। তবে ফিল ফোডেনের শট পোস্টে বাধা পায়। তবে গোলের জন্য বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি ম্যান সিটি-কে৷ ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন গিনদোগান৷ জোয়াও কানসেলোর ক্রস ২০ গজ দূর থেকে জোরাল শটে বল জালে পাঠান জার্মান মিড-ফিল্ডার।

প্রথম ৩০ মিনিটে তিনবার ওয়েস্ট ব্রুমের জালে বল পাঠিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় ম্যান সিটি। প্রথম গোলে সাহায্য করা কানসেলো ২০ মিনিটে বের্নার্দো সিলভার কাটব্যাক বক্সের মুখে ধরে অনেকটা একইরকম শটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। প্রথমে অফ-সাইডের পতাকা উঠলেও ভিএআর-এর সাহায্য নিয়ে গোলের বাঁশি বাজান রেফারি। ৩০ মিনিটে বক্সের মধ্যে থেকে ঠান্ডা মাথায় নিখুঁত ফিনিশিংয়ে স্কোরলাইন ৩-০ করেন গিনদোগান। এই নিয়ে প্রিমিয়র লিগে নিজের শেষ আটটি ম্যাচে সাতটি গোল করলেন তিনি।

এখানেই শেষ নয়, প্রথমার্ধে গোলের সংখ্যা আরও বাড়ায় ম্যান সিটি৷ প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ে ব্যবধান ৪-০ করেন রিয়াদ মাহরেজ৷ ৪৫ মিনিটে একক প্রচেষ্টায় ওয়েস্ট ব্রুমের জালে বল জড়ান তিনি৷ প্রথমার্ধে ৪-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে প্রায় জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়েন গুয়ার্দিওলার ছেলেরা৷ বিরতির পর আরও ব্যবধান বাড়ান রহিম স্টার্লিং৷ ৫৭ মিনিটে ওয়েস্ট ব্রমের কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দেন তিনি৷ ৫-০ ম্যাচ জিতে মাঠ ছাড়ে ম্যান সিটি৷

এই জয়ের ফলে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে টানা ১১ ম্যাচে জয় পেল গুয়ার্দিওলা৷ আর ১৯ ম্যাচে ১২টি জয় ও পাঁচটি ড্র করে ৪১ পয়েন্ট নিয়ে প্রিমিয়র লিগে এক নম্বরে উঠে এল ম্যান সিটি। ৪০ পয়েন্ট নিয়ে দু’ নম্বরে রয়েছে ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড। তিন নম্বরে থাকা লেস্টার সিটির পয়েন্ট ৩৮।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।