লন্ডন: ম্যাঞ্চেস্টার সিটি গতবার মরশুম শেষ করেছিল ঘরোয়া ত্রি-মুকুট জিতে। প্রথাগত কমিউনিটি শিল্ড জিতে এবার নতুন মরশুম শুরু করল পেপ গুয়ার্দিওলার ম্যান সিটি। অর্থাৎ, গুয়ার্দিওলার প্রশিক্ষনে আরও একটি ট্রফি ঘরে তুলল নীল ম্যাঞ্চেস্টার।

কমিউনিটি শিল্ডে পেনাল্টি শুট আউটে সিটি ৫-৪ গোলে হারাল লিভারপুলকে। টাই-ব্রেকারে গড়ানোর আগে নির্ধারিত সময়ে ম্যাচের স্কোর-লাইন ছিল ১-১। ওয়েম্বলিতে ম্যাচের প্রথমার্ধে রহিম স্টার্লিং এর গোলে এগিয়ে যায় ম্যাঞ্চেস্টার সিটি। দ্বিতীয়ার্ধে লিভারপুলকে সমতায় ফেরান জোয়েল মাতিপ।

ম্যাচের প্রথমার্ধ জুড়ে দাপট বজায় থাকে প্রিমিয়র লিগ চ্যাম্পিয়ন সিটির। ১২ মিনিটে স্টার্লিংয়ের গোলটিই তার প্রমাণ দেয়। দ্বিতীয়ার্ধে আধিপত্য বিস্তার করে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন লিভারপুল। ৭৭ মিনিটে মাতিপ বল জড়ান সিটির জালে। নির্ধারিত সময়ের একেবারে শেষ মুহূর্তে সিটির কাইল ওয়াকার গোল লাইন থেকে বল আটকে মোহাম্মদ সালাহর প্রচেষ্টা ব্যর্থ না-করলে ম্যাচের ছবি বদলে যেতে পারত।

আরও পড়ুন: ইস্টবেঙ্গলে চূড়ান্ত রোনাল্ডো, শতবর্ষে ১০০ শহরে উড়ল লাল-হলুদ পতাকা

অতিরিক্ত সময়ের খেলা ছাড়াই ম্যাচ সরাসরি পেনাল্টি শুট-আউটে গড়ায়। টাই-ব্রেকারে ম্যাঞ্চেস্টার সিটি তাদের ৫টি শটই লিভারপুলের জালে জড়াতে সক্ষম হয়। তবে লিভারপুলের জর্জিনিয় উইনালদামের শট প্রতিহত করেন সিটি গোলরক্ষক ক্লদিও ব্রাভো। সিটির হয়ে জয়সূচক পেনাল্টি শটটি নেন গ্যাব্রিয়েল জেসুস।

আরও পড়ুন: থাইল্যান্ড ওপেন জিতে ইতিহাস সাত্যিক-চিরাগ জুটির

শিল্ড জয়ের পর সিটি কোচ গুয়ার্দিওলা বলেন, ‘দু’দলের জন্যই এটা অসাধারণ একটা ম্যাচ ছিল। আমরা দারুণ কিছু আক্রমণ তৈরি করেছি। তবে শেষ ১৫ মিনিটে আমরা ছন্দ ধরে রাখতে পারিনি। সেই সুযোগে ম্যাচ জয়ের উপক্রম করেছিল লিভারপুল। সব মিলিয়ে দু’দলের কাছে এটা দারুণ একটা পরীক্ষা ছিল। খেলোয়াড়রা বুঝতে পেরেছে সামনের পুরো মরশুম জুড়ে কতটা প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে পড়তে হবে তাদের। এই পর্যায়ের ফুটবলে দু’দলের মধ্যে বিশেষ কোনও তফাৎ নেই। একটা মাত্র পেনাল্টি শটে আমরা এগিয়ে গিয়েছি। যাই হোক, মরশুমের প্রথম ট্রফি এল আমাদের ঘরেই।’