সৌরভ দেব, জলপাইগুড়ি: তথ্যপ্রযুক্তির যুগেও কুসংস্কার যে আমাদের এখনও পিছু ছাড়েনি তার জ্বলন্ত নিদর্শন মিলল জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জ ব্লকের মন্তাদরি গ্রামে৷ এই পঞ্চায়েত এলাকায় কিছু গ্রামবাসীর পক্ষ থেকে  মনসা পুজোর আয়োজন করা হয়। সেই উপলক্ষে বৃহস্পতিবার  স্থানীয় বাসিন্দারা তিস্তা নদীতে কলার ভেলায় ভাসিয়ে দিলেন সাত  কিশোরী ও এক কিশোরকে।
স্থানীয় বাসিন্দা রঘুনাথ মণ্ডল জানান,বেশ কয়েক বছর আগে এই গ্রামে নিপি রায় ও বকুল সন্ন্যাসী নামে দুই ব্যক্তিকে সাপে দংশন করলে চিকিৎসার অভাবে তাঁরা মারা যান। স্থানীয় পুরোহিত গোবিন্দ চক্রবর্তী বিধান দেন, “মনসা মায়ের পূজা দে এবং সেইসঙ্গে মানত হিসাবে তিস্তায় সাত কিশোরী এবং এক কিশোরকে মান্দাসে ভাসিয়ে দে৷”
পুরোহিতের সেই ‘স্বপ্নে পাওয়া’ বিধান মেনেই গ্রামের মানুষ বৃহস্পতিবার গ্রামের অপরূপা, কবিতা, পায়েলের মতো সাত কিশোরী ও এক কিশোরকে কলার ভেলায় তিস্তা নদীতে কিছুক্ষণের জন্য ভাসিয়ে দেন। এই উপলক্ষে গ্রামের এক যুবককে বেহুলা-লখিন্দরের কাহিনির কালনাগ সাজানো হয়েছিল।
যদিও এই ঘটনাকে গ্রামের মানুষজন কোনও কুসংস্কার বলে মানতে রাজি নন৷ ‘মা মনসা’-কে তৃপ্ত করতেই এই ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজন বলে তাঁদের দাবি।
এই ঘটনা সম্পর্কে জলপাইগুড়ি সায়েন্স অ্যান্ড নেচার ক্লাবের সম্পাদক রাজা রাউত বলেন, বহু মানুষেরই সাপ সম্পর্কে সঠিক ধারণা না থাকায় এই ধরনের কাজকর্ম করেন তাঁরা। রাজা রাউত জানিয়েছেন, খুব শীঘ্রই তাঁদের সংগঠন এলাকায় এলাকায় মানুষকে এ বিষয়ে সচেতন করতে নামবেন৷

 

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।