জীবনে চলার পথে এমন কিছু মানুষের দেখা মেলে, যারা সব সময়েই নিজের মতামতকে সবার উপরে গুরুত্ব দেয়। অন্যের কথা এরা যেমন শুনতে চায় না, তেমন অন্যের কথায় কোনো যু্ক্তি আছে কীনা সেটাও তারা মানতে বা বুঝতে চায় না। ব্যক্তিগত বা পেশাদারী জীবনে এমন মানুষের সঙ্গে যদি আপনাকে মানিয়ে চলতে হয় তাহলে তা কঠিন থেকে কঠিনতর করে তুলতে পারে আপনার জীবন। তবে কিছু পদ্ধতি অনুসরণে করলে এমন মানুষকে সামলানো যায়। দেখে নিন নিচে।

১. বিদ্রুপ পরিহার করুন: বিদ্রুপের মাধ্যমে আপনি যদি কোনো ব্যক্তির আচরণ পরিবর্তন করার চেষ্টা করেন তাহলে তা হিতে বিপরীত হতে পারে। অনেক সময় কোনো বিদ্রুপ করা হলে তা মানুষকে আঘাত দেয় বা সেই বিষয়ে আরও একগুঁয়ে করে তোলে। এতে এটি ব্যক্তিগত পর্যায়ে চলে যায় এবং সমস্যা সমাধানের বিরুদ্ধে চলে যায় সেই ব্যক্তি নিজেই। তাই বিদ্রুপ পরিহার করে সঠিক বিষয়টি নিয়েই কথা বলুন তার সঙ্গে এবং সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করুন।

আরো পোস্ট- গরমে শরীরে নানা সমস্যা! সুস্থ থাকতে কী করবেন

২. নিজে স্পষ্ট অবস্থান বুঝিয়ে দিন: অন্য একজন একগুঁয়ে মানুষের সঙ্গে আচরণে আপনিও যদি একগুঁয়ে হয়ে যান তাহলে তা পরিস্থিতিকে আরো খারাপ করে দেবে। তাই জন্যে এই মনোভাব কখনোই ভালো কোনো ফলাফল আনবে না যা আপনি চান। তাই প্রয়োজন হলো নিজের স্পষ্ট অবস্থান প্রকাশ এবং অন্যকে তা বুঝিয়ে দেওয়া।

আপনি কেন এই সিদ্ধান্ত নিলেন সেটা নিজের দিক দিয়ে পরিষ্কারভাবে বলে দেবেন আপনি। এরপর এই অবস্থানের পেছনের কারণ তাকে জানিয়ে দিন। বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করুন এবং সমস্যা সমাধানের চেষ্টা অর্থে হবে দুজনকেই। সেও তখন বুঝতে পারবে তার ভুলটা। শুধু সমস্যার পেছনে নয় বরং সমস্যা সমাধানের চেষ্টা এমনভাবে করুন যেন সেই ব্যক্তি আগে আর এমন না ভাবে কারুর সঙ্গেই।

৩. অন্য দিকটিও দেখুন: কোনো বিষয়ে অপর পক্ষের একগুঁয়ে মনোভাব যেমন আপনি আশা করেন না, তেমন আপনার একগুঁয়ে মনোভাবও অপর পক্ষ সহ্য করে না এটাও ভাবতে হবে আপনাকে। তাই যে কোনো বিষয় নিয়ে তর্ক করতে হলে আপনার মনে রাখতে হবে, আপনার কথায় যুক্তি থাকলে তবেই অন্য পক্ষ তা মেনে নিতে বাধ্য। একই ভাবে, অন্যদের কথায় যুক্তি থাকলে আপনারও তা মেনে নেওয়ার মানসিক প্রস্তুতি থাকতে হবে নইলে সমস্যা বাড়বে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.