জাকার্তা: বিয়ের আগে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হয়েছিলেন। এটাই অপরাধ। আর সেই অপরাধে প্রকাশ্যে চলল বেতের আঘাত। মারের চোটে অজ্ঞান হয়ে যান অভিযুক্ত ব্যক্তি। জ্ঞান ফিরিয়ে ফের বেতের আঘাত করে শাস্তি সম্পূর্ণ করা হয়। এরপর তাঁকে হাসপাতালে পাঠানো হয়।

এমনই ভয়ঙ্কর শাস্তি দেওবা হল ইন্দোনেশিয়ায়। বারবার বিভিন্ন মহলের প্রতিবাদ সত্বেও এই ধরনের শাস্তির কোনও ব্যতিক্রম হয়নি। স্থানীয় ইসলামিক আইনে যেসব জিনিস নিষিদ্ধ, সেগুলো করলেই মেলে এমন শাস্তি। দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত এই ধরনের শাস্তি।

ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপের এক বিশেষ অঞ্চলে এই শাস্তির প্রচলন আছে। সেখানে মদ খাওয়া, গে সেক্স কিংবা প্রি-ম্যারাইটাল সেক্স নিষিদ্ধ।

বৃহস্পতিবা প্রি-ম্যারাইটাল সেক্সের জন্য ২২ বছরের এক ব্যক্তিকে এই শাস্তি দেওয়া হয়েছে। ১০০ বার বেতের আঘাত দেওয়া হয় তাঁকে। যন্ত্রণায় কাতরাতে কাতরাতে অজ্ঞান হয়ে যান ওই ব্যক্তি। তাঁর জ্ঞান ফিরিয়ে ফের মারতে শুরু করে মুখ ঢাকা এক ব্যক্তি। পরে তাঁকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

যে মহিলার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হয়েছেন ওই ব্যক্তি, তাঁকেও মসজিদের বাইরে ১০০ বার বেতন দিয়ে পেটানো হয়। ৫০০ দর্শক বসে দেখে সেই দৃশ্য। কেউ কেউ চীৎকার করে ওঠে ‘আরও জোরে, আরও জোরে’। গত বছর নাবালিকার সঙ্গে সেক্স করার অপরাধে এভাবেই দুই ব্যাক্তিকে পেটানো হয়।

বিভিন্ন জায়গা থেকে এই নিয়মের জন্য আওয়াজ উঠেছে। এমনকি ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট জোকো উইডোডো এই প্রথা বন্ধ করতে বলেছিলেন। কিন্তু কোনও লাভ হয়নি।