নয়াদিল্লি: ঠান্ডা পানীয় কোকো কলা ও থামস আপের বিক্রয় নিষিদ্ধ করতে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন এক ব্যক্তি। কিন্তু হল উলটো বিপদ। ওই ব্যক্তিকেই করা হল ৫ লাখ টাকা জরিমানা। এ প্রসঙ্গে আদালতের বক্তব্য, কোনও প্রযুক্তিগত জ্ঞান ছাড়াই আবেদন করেছিলেন তিনি।

আবেদনকারী ওই ব্যক্তির নাম উমেসিংহ পি চাভদা। শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, বিশেষত কেন এই দুটি সংস্থাকে এই মামলার লক্ষ্য হিসাবে বেছে নেওয়া হয়েছে, তা জানাতে পারেননি তিনি।

মিঃ চাভদা স্বাস্থ্য সংক্রান্ত উদ্বেগের বরাত দিয়ে কোকা কোলা এবং থামস আপের উপর নিষেধাজ্ঞার জন্য জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছিলেন।

সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, আবেদনকারী আইনি প্রক্রিয়াকে অপব্যবহার করেছে এবং কোকা কোলা ও থামস আপ স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর বলে যে দাবি তিনি করেছিলেন,তার প্রমাণ দিতে পারেননি।

বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচুড়, হেমন্ত গুপ্ত ও অজয় রাস্তোগী, এই তিনজন বিচারপতি রায় দেওয়ার সময় বলেন, “আবেদনকারী নিজেকে একজন ‘সমাজ কর্মী’ বলে দাবি করেছেন। এই বিষয়ে কোনও প্রযুক্তিগত জ্ঞান না থাকা সত্ব্বেও এই আবেদন করা হয়েছে। তাঁর বক্তব্য প্রমাণ হয়নি।”

শীর্ষ আদালত আবেদনকারীর অ্যাপিল খারিজ করার পাশাপাশি তাঁকে একমাসের মধ্যে ৫ লক্ষ টাকা জরিমানাও করেছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.