সঙ্গীর সঙ্গে ঝগড়া হলে আমরা কী করি? রাগ করে কথা না বলে থাকি বা একে অপরের থেকে দূরে গিয়ে থাকি।

কিন্তু এই ব্যক্তি যা করলেন তা আপনাকে অবাক করবে। এমন কাজ কেউ করেনি হয়তো।

এই ব্যক্তি স্ত্রীর সঙ্গে আবার ঝগড়া হওয়ার পর নাকি তার নিজের মাথা ঠান্ডা করতে পায়ে হেঁটে গিয়েছেন ৪৫০ কিলোমিটার পথ। ভাবতেই অবাক লাগে তাই তো? কিন্তু এই অদ্ভুত ঘটনাটি ঘটেছে ইতালিতে।

মহামারী সুবাদে বেশ কিছু জায়গায় চলছে লকডাউন। এর ফলে প্রতিটি পরিবারেই এখন গৃহবন্দী।

এই সুবাদে একটি মানুষ আরেকজনকে আরও কাছ থেকে জানার সুযোগ পাচ্ছেন। সেই সুযোগে পারিবারিক হিংসা বাড়ছে বলে জানা গেছে।

প্রসঙ্গত, ২০২০ সালেও এমন অনেক দাম্পত্য কলহ এবং দাম্পত্য হিংসার ঘটনা জানতে পেরেছিলাম আমরা। ২০২১ সালও রেহাই পাচ্ছে না তার থেকে।

এমনকি অনেক জায়গায় বিবাহ বিচ্ছেদের ঘটনা ঘটছে রোজ দাম্পত্যে অশান্তির জেরে। তবে এই ব্যক্তি কোনরকম হিংসা বা অশান্তিতে জড়াতে চাননি।

বরং তিনি বাড়ি থেকে দূরে যেতে চেয়ে একা একা এতটা পথ পায়ে হেঁটেছেন। এই বিশেষ ঘটনাটি ঘটেছে আজ থেকে এক বছর আগে।

আরো পোস্ট- পূর্ব পাপ থেকে মুক্তি! কোন সময়ে “মুণ্ডন” পালন সঠিক

কোন এক রবিবারর রাত্রিবেলা দুটো নাগাদ ওই ব্যক্তি ইতালির এক উপকূলবর্তী এলাকায় একা একা ঘোরাফেরা করছিলেন। সেই সময়ে কারফিউ নিয়ম ভাঙার অপরাধে তাকে আটক করে পুলিশ কর্মীরা।

কেন তিনি সেখানে সরকারি নির্দেশ অমান্য করে ঘোরাফেরা করছেন তা জানতে চাইলে ব্যক্তি বলেন তার বাড়ি রয়েছে উত্তর কোমো এলাকায়। সেখানে তিনি সপ্তাহ খানেক আগে স্ত্রীর সঙ্গে প্রচণ্ড ঝগড়ায় জড়িয়ে পড়েন।

তাই শেষে মাথা ঠান্ডা করতে তারপর থেকেই তিনি বাড়ি থেকে বেরিয়ে হেঁটে চলেছেন। টানা এক সপ্তাহ ধরে হাঁটতে হাঁটতে সেখানে পৌঁছেছেন।

পুলিশ দেখতে চায় তারা এই বক্তব্য সঠিক কিনা। তাই তা যাচাই করে পুলিশ।

তবে তার আগে তার কাছ থেকে জরিমানা ধার্য করা হয়। ওই ব্যক্তির কাছে যে কাগজপত্র ছিল তা দেখে জানা যায় তার বাড়ির সত্যিই উত্তর কোমো এলাকায় এবং সেখানে পুলিশের কাছে তার স্ত্রী তার নামে নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগ দায়ের করেছেন।

এরপর সেই মহিলার সঙ্গে যোগাযোগ করে সত্যি ঘটনাটি তাকে জানানো হয়। স্ত্রী এসে তাকে উদ্ধার করে বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে যান সেখান থেকে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.