পূর্ব মেদিনীপুর: কিছু বছর একসঙ্গে চলার পর প্রেমের সম্পর্ক ভেঙে গিয়েছিল। বিতৃষ্ণার বহিঃপ্রকাশে রাগ গিয়ে পরেছিল প্রেমিকার ওপর। দু’জনের ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ভিডিও পর্নোগ্রাফি সাইটে আপলোড করে দেয় ওই যুবক। প্রত্যাখ্যানের শিক্ষা দিতে এমন কাজ করল যে আইনের বেড়াজাল টপকানো সহজ হবে না।

২০১৭ সালের ঘটনায় নিম্ন আদালতের সাজাই বহাল রাখল পূর্ব মেদিনীপুরের অতিরিক্ত জেলা আদালত। নিম্ন আদালত এই মামলায় অভিযুক্ত বাইশের যুবককে আগেই পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছিল। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করেই অতিরিক্ত জেলা আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল অভিযুক্ত।

প্রসঙ্গত, অভিযুক্তের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল তমলুকের ওই তরুণীর। তাঁর পরিবারের অভিযোগ, প্রেমের সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পরে ওই যুবক প্রথমে ব্ল্যাকমেল করতে থাকে। তার মধ্যেই বেশ কিছু অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ভিডিও পর্নোগ্রাফি সাইটে আপলোড করে। খুব কম সময়ের মধ্যেই সেই ভিডিও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে পরে।

টানা ছ’মাস শুনানির পর নিম্ন আদালত আইটি বিভাগ ঘটনার সঠিক তথ্যপ্রমাণ তুলে ধরে। এই মামলায় সিআইডি’র স্পেশ্যাল কৌঁসুলি ছিলেন বিভাস চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “সবথেকে কম সময়ের মধ্যে এই মামলার রায়দান হল”।

তিনবছর আগে একই ঘটনা ঘটে যেখানে প্রাক্তন প্রেমিকার ভিডিও পর্নসাইটে আপলোড করে গ্রেফতার হয়েছিল ইঞ্জিনিয়ার। প্রাক্তন প্রেমিকার ওপর প্রতিশোধ নিতেই সে ওই কাণ্ড বাধিয়েছিল বলে জানিয়েছিল পুলিশ।