লখনউ: মদ্যপ স্বামী ঘরে ঢুকে স্ত্রীকে পাঁঠার মাংস রান্না করতে বলেছিল৷ কিন্তু তাতে রাজি হননি স্ত্রী। পরিণামে প্রাণ দিয়ে তার মাসুল গুনতে হল৷ উত্তর প্রদেশের ফিরোজাবাদ জেলার পাচওয়ান কলোনির ঘটনা।

প্রতিদিন রাতের মতো সেদিনও মদ্যপান করে বাড়ি ঢোকে স্বামী মনোজ কুমার৷ সেদিন সে স্ত্রী রানিকে পাঠার মাংস রান্নার করার হুকুম করে৷ কিন্তু স্বামীর কথা শোনেন নি স্ত্রী৷ গত সপ্তাহের বৃহস্পতিবারের ঘটনা৷

শুরু হয় কথা কাটাকাটি৷ রাত তখন সাড়ে ১১টা। এই নিয়ে বেশ কিছুক্ষণ রানির সঙ্গে মনোজের বচসা চলে৷ তারপরে রানির মাথায় লোহার ভারী বস্তু দিয়ে আঘাত করে মনোজ। রানি মারা গিয়েছে ভেবে তিন তলার ছাদ থেকে রানির দেহ ফেলে দেয় মনোজের বাবা নেত্রপাল এবং দাদা মনীশ। ভোর সাড়ে তিনটে নাগাদ বাড়ির সামনে রানিকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে প্রতিবেশীরাই পুলিশে খবর দেন।

মনোজ ঘটনার পর থেকেই পলাতক। তাঁকে শীঘ্রই ধরা হবে বলে জানিয়েছেন তদন্তকারীরা। নাকরকি থানার স্টেশন অফিসার জানিয়েছেন, রানির বাবা চোব সিং মনোজের বাবা এবং দাদার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

পুলিস গিয়ে রানির রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার করে তাঁকে হাসপাতালে পাঠায়। ভোর পর্যন্ত বেঁচে ছিল রানি। প্রথমে স্থানীয় সরকারি হাসপাতলে নিয়ে যাওয়া হয় রানিকে। সেখান থেকে পাঠানো হয় সইফাই মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। সেখানেই মৃত্যু হয় রানির। দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.