গোরক্ষপুর: তাৎক্ষণিক তিন তালাক বিলের কোপ পড়ল এবার সরাসরি। একজন ব্যাক্তি ফোনে স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলার সময় তাঁর তিনবার তালাক উচ্চারণ করার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে, এমনটাই জানিয়েছে পুলিশ। বিল পাশের মাত্র চারদিনের মাথায় এই ঘটনা ঘটে।

মুসলিম উইমেন অ্যাক্টের ৪ নম্বর ধারা অনুযায়ী এফআইআর করা হয়েছে নেবুয়ার নওরঙ্গিয়া পুলিশ স্টেশনে। ওই মহিলার বাবা পুলিশের কাছে এই অভিযোগ জানাতে যায়। এই ঘটনাটি ঘটে হরিয়াণার কুশিনগর জেলায়।

আব্দুল রহিম পেশার কারণে সৌদি আরবে থাকেন। বুধবার তাঁর স্ত্রী ফতিমা খাতুন’কে ফোন করে তিন তালাক দেন। সেই অভিযোগে বাবা আহমেদ আলি পুলিশকে এমন তথ্যই দিয়েছেন। রহিম জাকনিয়া গ্রামের বাসিন্দা পচিশ বছরের ফতিমা খাতুনকে ২০১৪ সালে বিয়ে করে। বিয়ের চার মাস পর সে সৌদি আরব চলে যায়।

ফতিমা খাতুনের বাবা আহমেদ আলি জানিয়েছেন, তাঁর জামাই মাঝেমধ্যেই বাড়িতে আসে কিন্তু ফতিমার সঙ্গে সে ব্যবহার মোটেও ভাল করে না। তিনি আরও অভিযোগ করেন, রহিমের পরিবারও ফতিমাকে বিভিন্ন বিষয়ে বিরক্ত করছে।

আলি তাঁর লিখিত অভিযোগে স্পষ্ট জানিয়েছেন, বুধবার যখন তাঁর মেয়ে বাড়ির কাজে ব্যস্ত ছিল ঠিক তখনই ফতিমার শ্বশুরমশাই তারাবুদ্দিন মোবাইল ফোনটি দেয় ও বলে রহিমের সঙ্গে কথা বলতে। সেই সময়তেই কথার মাঝে তিনবার তালাক উচ্চারণ করে সে ফোন কেটে দেয়।”

আহমেদ আলি পৌঁছে দেখেন ফতিমার শ্বশুরমশাই তারাবুদ্দিন পঞ্চায়েত ডেকেছে ও তাঁকে দেড় লাখ টাকার চেক ধরিয়ে বলা হয়েছে বিয়ে শেষ। কুশিনগর পুলিশের তরফে জানান হয়েছে, যথাযথ মাধ্যমে তাঁকে নোটিস পাঠানো হবে। দুই তরফেরই বয়ান নেওয়া হবে এই বিষয়ে।

মঙ্গলবার লোকসভায় পাশ হওয়া মুসলিম উইমেন বিলে তাৎক্ষণিক তিন তালাকে পুরুষদের জন্য তিন বছরের জেল হেফাজত নির্ধারিত হয়েছে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ