নয়াদিল্লি: সেনাবাহিনীর হাত শক্ত করতে শক্তিশালী অ্যান্টি ট্যাঙ্ক মিসাইলের সফল পরীক্ষা করল ভারত৷ ডিফেন্স রিসার্চ অ্যাণ্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন বা ডিআরডিওর এই সফল পরীক্ষায় পাকিস্তানের বুকে যে কাঁপন ধরবে, তা বলাই বাহুল্য৷ এই অ্যান্টি ট্যাঙ্ক মিসাইলটি মানুষের বহনযোগ্য হওয়ায়, খুব সহজেই এটিকে এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় নিয়ে যাওয়া যাবে বলে মনে করা হচ্ছে৷

বৃহস্পতিবার রাজস্থানের বালিয়াড়িতে এই মিসাইল পরীক্ষাটি হয়৷ অ্যান্টি ট্যাঙ্ক গাইডেড মিসাইল বা MPATGMটিকে রাজস্থানের বালিয়াড়িতে পরীক্ষা করা হয়৷ প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর, এই মিসাইলটি ওজনে অত্যন্ত হালকা৷ ফলে খুব সহজেই বহনযোগ্য৷ এই মিসাইলে রয়েছে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি, যাতে রাডারের মত দ্রুত নিশানা স্থির করা যাবে৷

MPATGM থার্ড জেনারেশন মিসাইল৷ যাতে উচ্চ মাত্রার বিস্ফোরক বহনের ক্ষমতা রয়েছে৷ ২.৫ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুকে আঘাত করতে পারে এই মিসাইল৷ ২০২১ সালের মধ্যে এই ধরণের মিসাইলের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে৷ মিসাইলটি ডিজাইনের কাজ শুরু হয়েছিল ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে৷

এর আগে বুধবার পরপর তিনবার পিনাকা গাইডেড মিসাইলের সফল পরীক্ষা চালায় ভারত। পোখরানে গত ১২ মার্চ মিসাইল পরীক্ষা করা হয়। এর আগে ১১ মার্চ পরপর দু’বার পরীক্ষা করা হয়। তিনবারই সফলভাবে মিসাইল উৎক্ষেপণ করা হয়। জানানো হয়েছে ভারতীয় সেনা ব্যবহার করবে এই মিসাইল। এটি একটি মাল্টিপল রকেট লঞ্চার, যা ভারতের মাটিতেই তৈরি হয়েছে। ডিআরডিও-র হাতেই তৈরি হয়েছে এই মিসাইল।

এর আগে গত মাসেই অত্যাধুনিক মিসাইলের পরীক্ষা করে ভারতীয় সেনা। ওডিশা উপকূল থেকে দু-দুটি মিসাইলের পরীক্ষা করে ভারত। মাটি থেকে আকাশে শত্রু ধ্বংস করতে এই মিসাইলগুলির পরীক্ষা করা হয়েছে। খুব দ্রুত এই মিসাইলগুলি শত্রুকে ধ্বংস করতে সক্ষম বলেও জানা গিয়েছে। জানা গিয়েছে, মিসাইলগুলি আকাশে রাখা কল্পিত শত্রুকে সফল ভাবে আঘাত করেছে৷