বস্তার: সাত নয়, একেবারে ১৪ পাকে বাঁধা পড়লেন বস্তারের এক যুবক!

ভাবছেন হয়তো এও আবার হয় নাকি৷ বিষয়টা খুলে বলা যাক তাহলে৷ আসলে একই ছাদনাতলায় একইসঙ্গে দু’জনের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধলেন চন্দু মৌর্য নামে এক যুবক৷ ঘটনাটি ছত্তিশগড়ের বস্তারের৷

এমন বিয়ের সাক্ষী হয়ে অনেকেই বেজায় আনন্দিত৷ অনেকেই আবার শুরু করেছে কানাঘুষো৷ তবে যাই হোক প্রেমের গুঁতোয় কী না হয়, তা আরও একবার প্রমাণ করে দিলেন হাসিনা, সুন্দরী এবং চন্দু মৌর্য৷ অস্বাভাবিক হলেও, তিনজনের সম্মতিতেই এক হয়ে গেল ‘ছয়’ হাত৷

হাসিনা এবং সুন্দরী দু’জনেই হাবুডুবু খাচ্ছিলেন চন্দুর প্রেমে৷ কেউই তাঁকে ছাড়তে নারাজ৷ তাই দু’জনকেই বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেন চন্দু৷ তাঁর কথায়, ‘‘আমি তাঁদের দু’জনকেই ভালোবাসি৷ ওঁরা দু’জনেও একইভাবে আমাকে ভালোবাসে৷ আমরা গ্রামবাসী সামনেই বিয়ে করেছি৷ তবে আমার এক স্ত্রীর পরিবার এই বিয়েতে সামিল হয়নি৷’’

এই অদ্ভূত বিয়ে দেখতে অনুষ্ঠামে সামিল হয়েছিলেন গ্রামবাসীরাও৷ তাঁরা দাঁড়িয়ে থেকেই তিনজনের বিয়ে দেন৷ কেউই বিরোধিতা করেননি৷ জানা গিয়েছে হাসিনার বয়স ১৯ বছর আর সুন্দরীর বয়স ২১৷ তাঁরা উভয়েই উচ্চমাধ্যমিক পাশ৷ তাঁদের বিয়ের খবর এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল৷

বস্তার গ্রামে এই এমন বিয়ে এই প্রথম৷ একইসঙ্গে অগ্নিকে সাক্ষী রেখে দুই স্ত্রীর হাত ধরে ঘুরলেন স্বামী৷ একই সঙ্গে হল দু’জনের সিঁদুরদান৷ বিয়ে উপলক্ষে হল বড়সড় উদযাপন৷ যদিও হিন্দু ম্যারেজ আইন অনুসারে এই বিয়ে বেআইনি৷ তবে এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় কোনও মামলা রুজু করা হয়নি৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।