বয়স বেড়েছে বলে কি তাদের সাধ আহ্লাদ থাকতে নেই৷ কিন্তু সেই সাধের মধ্যে যৌনতার প্রতি ঝোঁক কিন্তু একটু বেশিই থাকে তাদের৷ তবে সুযোগ আর সঙ্গীর অভাবে অনেকেই শেষ বয়েসে এসে নিজেদের যৌনতার চাহিদা পূরণ করতে পারেন না বৃদ্ধরা৷ সাম্প্রতিক এক গবেষণা থেকে এমনই জানা গেছে৷

ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক জো হাইড ও তার সহকর্মীরা ৭৫ থেকে ৯৫ বছর বয়সী ২৭০০ পুরুষের উপর সম্প্রতি এক গবেষণা করেন৷ এতে দেখা গেছে, অধিকাংশ পুরুষই যৌনতার প্রতি বেশ আগ্রহী৷ তবে সুযোগের অভাবেই নিজেরে মনোবাসনা চরিতার্থ করতে অক্ষম অনেকে৷

গবেষক দল, বয়স্কদের  স্বাস্থ্য, সম্পর্ক ও যৌনকর্ম বিষয়ক বিভিন্ন প্রশ্ন করেন৷ গবেষণার অন্তর্গত ৯০ থেকে ৯৫ বয়সি বৃদ্ধরা শারীরিক ভাবে সক্ষম না হলেও যৌনকর্মকে গুরুত্ব দিয়েছেন প্রায় সকলেই৷  দেখা গেছে বয়স্কদের যৌনতার বিশেষ ভূমিকা রাখছে টেস্টোস্টেরন হরমোন৷

এই হরমোন আরও কাজের সঙ্গে শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে৷ গবেষণায় দেখা গেছে, বিশেষ হরমোন পরিবর্তনের ফলে বয়স্কদের জীবনে পরিবর্তন আনা যেতে পারে৷  তবে গবেষণার অন্তর্গত শরীরিক সক্ষম বয়স্কদের ৮০ শতাংশ জানিয়েছেন তারা নিয়মিত যৌনক্রিয়া করতে চাইলেও সুযোগের অভাবে তা হয়ে ওঠে না৷

ইন্টারন্যাশনাল মেডিসিনের বার্ষিক সংস্করণে গবেষক জো’এর এই গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে৷ এতে দেখা গেছে, অনেক পুরুষই শেষ বয়সে এসে যৌনতার প্রতি বিশেষ ভাবে আকর্ষিত হন৷ কিন্তু উপযুক্ত সঙ্গীর অভাব ও বাড়তি বয়সের ফলে তারা একাজ করতে পারেন না৷  অবশ্য সকলেই যে এই ধরনের  চিন্তা করেন তা কিন্তু একেবারেই নয়৷ ৭৫ থেকে ৯৫ বয়সি বৃদ্ধদের একাশং মনে করেন শেষ বয়সে যৌনকর্ম একেবারেই নয়৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।