শিরোনাম পড়ে অবাক হলেন তো? ভাবছেন যে তিনি মানুষ নাকি ভগবান? আসলে তিনি এমন কিছু করে দেখিয়েছেন যা বেঁচে থাকতে অনেকেই করতে পারেন না। আমরা এটাই জানি যে আমাদের দেহে হৃৎপিণ্ড এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা ছাড়া কোনো প্রাণীরই বেঁচে থাকা সম্ভব নয়।

অথচ এই ধারণাকে ভুল প্রমাণ করে হৃৎপিণ্ড ছাড়াই ৫৫৫ দিন কাটিয়ে ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান শহরের এক বাসিন্দা। কী অদ্ভুত তাই না? ২৫ বছরের তরুণ স্ট্যান লারকিনের কাহিনী পড়লে চমকে উঠবেন। কিন্তু এই ব্যাপারটি ওই ব্যক্তির কাছে অদ্ভুত ঠেকেনি কারণ তার কাছে আর কোনো উপায় ছিলো না।

শোনা যায় যে ২০১৪ সালের নভেম্বরে ওই ব্যক্তির দেহ থেকে তার হৃৎপিণ্ড অপসারণ করা হয়। তবে ওই সময় হৃৎপিণ্ড প্রতিস্থাপনের জন্য কোনো দাতাকে তারা কেউই পাননি। তাই লারকিনকে যাতে দীর্ঘসময় হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে থাকতে না হয়, সেজন্য চিকিৎসকরা বিকল্প ভাবলেন।

আরো পোস্ট- ৭০ নারীর রক্ত চুষে হত্যা! কে সেই ব্যক্তি…

এরপর তা ঠিক করে তারা ব্যক্তিটির পিঠে একটি ধূসর রঙের ব্যাগ বসিয়ে দিলেন। এটি তাকে বাকি জীবনটা বহন কীর্তি হয়েছিল বেঁচে থাকার জন্যে। কারণ এই ব্যাগটিই ছিল লারকিনের জীবন-মরণ। এমন কী ছিল ওই ব্যাগে যা তাকে বাঁচিয়ে রেখেছিলো সুস্থভাবে বাকি দিনগুলি? বাকিটা পড়ুন।

আসলে জানা গেছে যে চিকিৎসকরা তার এই ব্যাগে একটি বিশেষ ডিভাইস ফিট করে দেন যা ছিলো কৃত্তিম হৃৎপিণ্ড। এটি আবার এমনভাবে যুক্ত ছিল যে তা লারকিন নামক ওই ব্যক্তির বুকের সঙ্গে সংযুক্ত থাকত সর্বক্ষণ। এর মাধ্যমেই সে শ্বাসপ্রশ্বাস নিতে পারতো ও সুস্থ-স্বাভাবিক থাকতো। তার বেঁচে থাকার জন্যে এই যন্ত্র কাজ কাজ চালাতো।

পরে আবার ওই ব্যক্তির দেহে হৃৎপিণ্ড প্রতিস্থাপন করেন চিকিৎসকরা। এতদিন ধরে কৃত্তিম হৃৎপিণ্ড নিয়ে জীবনযাপন করার কথা শুনলে অনেকে হয়তো আঁতকে উঠবেন। কিন্তু এই ভয় তাড়িয়েই জীবনে কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.