মাস্কের বদলে মুখে জড়ানো সাপ!
মাস্কের বদলে মুখে জড়ানো সাপ! চোখ কপালে সহযাত্রীদের

লন্ডন: করোনা আবহে যখন সমস্ত কিছুই ওলট-পালট তখন ফের মাস্কের ব্যবহার নিয়ে একটি মজার ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। মজার না আতঙ্কের সেটা অবশ্য পড়ে তবেই বিচার করা যাবে।

করোনার কারণে গোটা বিশ্বেই স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সতর্কতা বিধি হিসেবে প্রকাশ্যে মাস্কের ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। গণপরিবহনের মাধ্যম হোক বা অন্য কোনও ক্ষেত্র জনসাধারণের জন্য মাক্স, হ্যান্ড গ্লাভস এবং ফেস সিল্ড আবশ্যিক ব্রিটেনের ম্যানচেস্টার রাজ্যেও।

আর সোমবার এই পাবলিক বাসে করে ম্যানচেস্টার থেকে স্যালফোর্ডে যাওয়ার সময় জনৈক ব্যক্তির মাস্ক নিয়েই অদ্ভুত এক ঘটনার সাক্ষী হয়ে রয়লেন বাস যাত্রীরা।

বাসের নির্দিষ্ট আসনে এক ব্যক্তি বসে থাকলেও তাঁর দিকেই ঘুরেফিরে সকলের দৃষ্টি চলে যাচ্ছিল। আর যার কারণটা ছিলো খুবই অদ্ভুত। কেননা ওই ব্যক্তির মুখে মাস্কের পরিবর্তে ছিল ইয়া…বড়ো একটি সাপ।

মাস্কের বদলে মুখে জড়ানো সাপ!
মাস্কের বদলে মুখে জড়ানো সাপ! চোখ কপালে সহযাত্রীদের

আর ওই সাপটি দিয়েই তাঁর গোটা নাক মুখ ঢাকা ছিলো বলে জানা গিয়েছে। এখানেই শেষ নয়, সাপটি আবার ওই ব্যক্তির হাতের উপরও উঠে আসছিল। যদিও সেটি বাসে থাকা অন্যান্য যাত্রীদের কোনও ক্ষতি করেনি।

মাস্কের বদলে মুখে জড়ানো সাপ!
মাস্কের বদলে মুখে জড়ানো সাপ!

তবে যাই হোক বিষয়টি নিয়ে মোটেও খুশি নয় ম্যানচেস্টারের মুখপাত্র। এদিন তিনি বলেন, করোনা মহামারীর হাত থেকে বাঁচতে গোটা দেশে মাক্স পড়া বাধ্যতামূলক তবে এইভাবে সরীসৃপ প্রাণীকে গলায় পেঁচিয়ে মাস্কের মতো ব্যবহার মোটেও কাম্য নয়।

এই ভাবে ওনাকে দেখেই রীতিমত হুলস্থুল কাণ্ড বেঁধে যায়।
এই ভাবে ওনাকে দেখেই রীতিমত হুলস্থুল কাণ্ড বেঁধে যায়।

এতে হিতে বিপরীত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে বেশি। এছাড়াও তিনি যে মুখে কোনও মাক্স পড়েননি সেটা স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে বলেও জানান তিনি।

সপ্তম পর্বের দশভূজা লুভা নাহিদ চৌধুরী।