নয়াদিল্লি : ‘ সাপ’ দুই অক্ষরের একটি ছোটো শব্দ হলেও হাত-পা হীন এই সরীসৃপ প্রানীটিকে ভয় পান না এমন লোক গোটা দুনিয়ায় খুঁজে পাওয়া বেশ দুষ্কর। বিষধর নাগরাজকে কমবেশি ভয় আমরা সকলেই পাই। তাই বলে সাপকে আদর করে জল খাইয়েছেন কখনও?

কুকুর, বিড়াল বা অন্য কোনও জীবজন্তুকে হামেশাই আমরা নানা ভাবে জল খাওয়ায়। তাই বলে সাপের মতো একটি ভয়ংকর প্রানীকে জল খাওয়ানো? ভাবলেই যেন আত্মারাম খাঁচা হওয়ার যোগার। তার উপর আবার যদি সেটি কোবরার মত বিষধর সাপ হয় তাহলে কী করবেন?

নিশ্চয় ভাবতেই পারছেন না এমন কোনও ঘটনা ঘটবে কি না আপনার সাথে। তবে আপনার সাথে নয়, স্বয়ং নিজে হাতে বিষধর কোবরাকে জল খাওয়ানোর একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। আর যা দেখে তাজ্জব বনে গিয়েছে গোটা দুনিয়া। খোদ কোবরা সাপকে জল খাওয়ানোর ভিডিওটি ভাইরল হতেই সেটি সম্পর্কে নিজেদের কৌতূহল এবং প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন নেটিজেনরা। কেউ কেউ আবার ভিডিওটি আবার রি-টুইটও করেছেন।

ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওটি নিজের টুইটার পেজে পোস্ট করেছেন ফরেস্ট অফিসার সুশান্ত নন্দা। এর আগেও তিনি বহুবার নানারকম দুঃসাহসিক ঘটনার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোড করেছেন। কুর্নিশ কুড়িয়েছেন নেটজনতার।

এদিনের ভাইরাল হওয়া মাত্র ১৭ সেকেন্ডের ওই ভিডিওটিতে দেখা গিয়েছে, একটি বনের মধ্যে একজন ভদ্রলোক কোবরাকে জল খেতে সাহায্য করছেন। ভিডিওটিতে আরও দেখা গিয়েছে যে, তিনি জলের পাত্রটি সাপটির সামনের এমন ভাবে ধরেছিলেন যাতে সাপটি সহজেই জল পান করতে পারে।

টুইটারে ভিডিওটি পোস্ট করার আগে ফরেস্ট অফিসার সুশান্ত নন্দা ভিডিওটির ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘ভালোবাসা এবং জল’ জীবনের দুটি সেরা উপদান৷

ভাইরল হওয়া ওই ভিডিওটিতে প্রায় ২২ হাজার ভিউ হয়েছে এবং ৩ হাজারটি লাইক পড়েছে। নেট নাগরিকদের অনেকেই আবার কমেন্টের মাধ্যমে বিষধর ওই সাপটি থেকে দূরত্ব বজায় রাখার পরামর্শ দিয়েছেন। যদিও ভিডিওটি নিঃসন্দেহে ভয়ংকর হলেও প্রানীদের উপর ওই ব্যক্তির মমত্ববোধ প্রশংসা কুড়িয়েছে সকলের।

তাহলে কী ভাবছেন? এমন দুঃসাহসিক ঘটনার ভিডিও আপনি নিজে একবার চাক্ষুস করবেন নাকি!

 

 

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.