মুম্বই: প্রাক্তন বলিউড অভিনেত্রীর শ্লীলতাহানির অপরাধে দোষীকে ৩ বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ মুম্বইয়ের বিশেষ আদালতের। বুধবার মুম্বইয়ের বিশেষ আদালত প্রাক্তন অভিনেত্রীর শ্লীলতাহানির অপরাধে এক ৪১ বছর বয়সী ব্যাক্তিকে ৩ বছরের কারাদণ্ডের সাজা দিয়েছে।

জানা গিয়েছে, ঘটনার সময় নির্যাতিতা অভিনেত্রী নাবালিকা ছিলেন। সেই কারণে পকসো আইনে ওই ব্যাক্তির বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছিল। ২০১৭ সালের ডিসেম্বর মাসে দিল্লি থেকে মুম্বই যাওয়ার সময়ে এয়ার ভিস্তারার একটি বিমানে ওই অভিনেত্রীর শ্লীলতাহানি হয় বলে জানা গিয়েছে। ওই ব্য়ক্তির বিরুদ্ধে পকসো আইনে অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। দোষী ব্যক্তিকে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৫৪ ধারাতেও অভিযুক্ত ঘোষণা করেছে আদালত।

এদিকে, অভিনেত্রীর শ্লীলতাহানিতে দোষী ব্যাক্তির আইনজীবী আদনান শেখ আদালতের কাছে আবেদন করেছিলেন যেহেতু তাঁর পরিবারে একমাত্র রাজগেরে সদস্য তিনিই তাই সেদিকটি বিচার করে যাতে শাস্তির হার কিছুটা হলেও কমানো যায়। এছাড়াও জানিয়েছিলেন ওই ব্য়ক্তি আগে এই ধরনের কোনও অপরাধ করেননি। সেই দিকটির কথা মাথায় রেখেও যেন আদালত শাস্তির দিকটি বিবেচনা করে। নির্যাতিতার আইনজীবীর সওয়াল শেষে আদালত শ্লীলতাহানিতে দোষী ব্যক্তির ৩ বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দেয়।

এদিকে নির্যাতিতা ওই তরুণী জানিয়েছেন, দিল্লি থেকে মুম্বই যাওয়ার সময়ে ওই ব্যাক্তি তাঁর পাশেই বসেছিলেন। দু’ঘণ্টার যাত্রাপথ তাঁর কাছে যথেষ্ট কষ্টদায়ক মনে হয়েছিল৷ একইসঙ্গে তাঁর সঙ্গে হওয়া আচরণ মোবাইলবন্দি করারও চেষ্টা করেন তরুণী৷ তবে আলো কম থাকায় তাঁর সেই প্রচেষ্টা সফল হয়নি৷ তবে শেষমেশ দোষী ব্যক্তির সাজা হওয়ায় খুশি ওই তরুণী৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।